মহাকাশে নয়, তারকাদের মাটিতে দেখতে চায় মানুষ

প্রথম আলো নাদিয়া খোমামি প্রকাশিত: ০১ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮:৫৭

২০২৫ সালের এপ্রিলে যখন কেটি পেরি ও আরও পাঁচ নারীকে জেফ বেজোসের ব্লু অরিজিন রকেটে মহাকাশে পাঠানো হলো, তখন আয়োজকদের ধারণা ছিল, এটি হবে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। নারীর ক্ষমতায়নের প্রতীক হিসেবে বিষয়টি উদ্‌যাপিত হবে। সংবাদমাধ্যমেও তখন খবরটি ব্যাপক কাভারেজ পেয়েছিল।


এই অভিযানে ছিলেন বেজোসের তৎকালীন বাগ্‌দত্তা লরেন সানচেজ ও সিবিএস উপস্থাপক গেইল কিং। তাঁরা মোটামুটি ১১ মিনিট মহাকাশে ছিলেন। সেই সময় কেটি পেরি গেয়েছিলেন লুই আর্মস্ট্রংয়ের বিখ্যাত গান ‘হোয়াট আ ওয়ান্ডারফুল ওয়ার্ল্ড’। পৃথিবীতে ফিরে কেটি পেরি মাটিতে চুমু খান এবং ক্যামেরার সামনে একটি ডেইজি ফুল দেখান, যা ছিল তাঁর কন্যা ডেইজির প্রতি তাঁর ভালোবাসার প্রকাশ। 


কিন্তু এই মহাকাশযাত্রা নারীবাদের বিজয় হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার বদলে এক বড় ধরনের জনসংযোগ বিপর্যয়ে পরিণত হয়। মানুষ এটিকে দেখেছে বাস্তবতা-বিচ্ছিন্ন বিলাসিতা হিসেবে। অর্থনৈতিক সংকটের সময়ে অতি ধনীদের জন্য এমন ব্যয়বহুল আনন্দভ্রমণ অনেকের চোখে ছিল চরম বেহায়াপনা। সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয় বিদ্রূপ, মিম আর তীব্র সমালোচনা।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও