কুইক লিঙ্ক : মুজিব বর্ষ | করোনা ম্যাপ | করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব

আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বলেই স্বাধীন ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ পেয়েছি

বাংলাদেশ প্রতিদিন প্রকাশিত: ২২ জুন ২০২০, ২১:১৯

পাকিস্তান প্রতিষ্ঠিত হওয়ার অব্যবহিত পরেই মুসলিম লীগ রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে ষড়যন্ত্রের ধোঁয়ায় সম্পূর্ণ আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। মুসলিম লীগের ‘অপশাসন’-এর বিরুদ্ধে ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত আওয়ামী লীগ গণতান্ত্রিক রাজনীতির সংগ্রামের সূচনা করে। এ কারণে বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে দলটির ভূমিকা অনস্বীকার্য। একই সময়ে ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে কার্যকরী ভূমিকা পালন করেছিল।

প্রকৃতপক্ষে, ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালির আত্মপরিচয় প্রতিষ্ঠার সার্থক সংগ্রামের সূচনা হয়। কৃষক প্রধান পূর্ববঙ্গে বা বাংলাদেশেই অধিকাংশ কৃষক বিদ্রোহ দেখা দিয়েছিল এবং ব্রিটিশ শাসনের সময় কৃষক বিদ্রোহের অগ্নিশিখা কখনই নিভে যায়নি। বিশ শতকে পূর্ববঙ্গের বিদ্রোহী কৃষক জমিদারি প্রথা বিলুপ্তির আশায় পাকিস্তান নামক একটি ‘কল্পরাজ্য’ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও সামিল হয়েছিল।

কিন্তু ‘কল্পরাজ্য’-এর খলনায়করা যখন ঔপনিবেশিক শাসনের নতুন জিঞ্জির পরিয়ে দিতে উদ্ধত হয়, মুখের ভাষা কেড়ে নিতে বাঙালি ছাত্রদের বুকে গুলি চালায়, তখনই ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালির আত্মপরিচয় প্রতিষ্ঠার সার্থক সংগ্রামের সূচনা হয়। রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগ পূর্ব বাংলায় ১৯৫০ দশকে অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি, পূর্ববাংলার ন্যায্য হিস্যা নিয়ে জনগণকে সংঘটিত করে । ১৯৬০ দশকে আওয়ামী লীগ প্রণয়ন করে বাঙালির মুক্তির সনদ ছয়দফা এবং ১৯৭০-এর নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয় বাংলাদেশকে নিয়ে যায় স্বাধীনতার স্বর্ণদ্বারে।

১৯৪৯ সালের ২৩ জুন যে আওয়ামী মুসলিম লীগের জন্ম হয়েছিল, সময়ের স্রোত পেরিয়ে সেই দল এখন ৬৯ বছরের পুরনো দলই বটে। যদিও সেই দলের হাতেই আধুনিক ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব। সেই দল যখন সরকার পরিচালনা করছে , তখনই মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট পৌঁছেছে। আধুনিক রাষ্ট্র গঠনের এবং উন্নত দেশ গড়ার সংগ্রামের কথা আমরা অহরহ শুনছি আওয়ামী লীগ নেতাদের কণ্ঠে। মঙ্গলবার একাত্তরে পা দিবে আওয়ামী লীগ। একটানা ১২ বছর ধরে দেশের শাসনভার পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে অনেকটাই আত্মবিশ্বাসী আওয়ামী নেতারা।
দেশ স্বাধীন করার কৃতিত্ব নিয়েই স্বয়ং বঙ্গবন্ধুও ভেবেছিলেন সাধারণ মানুষের মন জয় করার কথা। উদ্ধৃত করতে চাই ১৯৭২ সালে ৯ এপ্রিল ঢাকায় আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে সভাপতি হিসেবে দেয়া জাতির জনকের ভাষণ। তিনি বলেছিলেন, ‘বিরোধীদলে থাকা এক রকমের আর সরকারের পক্ষে রাজনীতি করার জন্য পন্থা এবং সেখানে গঠনমূলক কাজের দিকে মানুষকে এগিয়ে যেতে হবে। অত্যাচার-অবিচার যেন না হয় । জুলুম যেন না হয়। লুটতরাজ যেন না হয়। দেশের মানুষকে সেবা করে মন জয় করতে হবে।’

১৯৪৯ সালে দল গঠন,দলের নাম পরিবর্তন করে অসাম্প্রদায়িক দল করা এবং দেশ স্বাধীনের কৃতিত্ব থাকা সত্যেও জাতির জনককে হত্যার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছিল ১৯৭৫ সালে । ছয় বছর পর ১৯৮১ সালে সভানেত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর ১৫ বছর সংগ্রাম করে দলের প্রতিষ্ঠা দিবসেই প্রধানমন্ত্রীর শপথ নিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। ১৯৯৬ সালের ২৩ জুনের পর দেশে প্রথমবারের মত সরকারের মেয়াদ পূরণ শেষে নিয়মতান্ত্রিকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রথম নজিরও স্থাপন করেছিলেন তিনিই।কিন্তু ১৯৯১ সালের নির্বাচনে পরাজয়ের পর তাকেই কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল দলের মধ্যেই। সব কিছু অতিক্রম করেই শেখ হাসিনা এখন সবচেয়ে বেশি সময়ের সরকার প্রধান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মহাজোট সরকার পদ্মাসেতু করছেন , ঢাকার অসহনীয় যানজটে অতিষ্ঠ রাজধানীবাসীর সামনে মেট্রো রেল উকি দিচ্ছে, পারমানবিক বিদ্যুতের দেশ হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ , উন্নয়নশীল দেশের কাতারে পৌঁছেছে দেশ , কিন্তু আপনি এলাকায় কি সুনাম কুড়িয়েছেন ? আপনার সাঙ্গ-পাঙ্গরা কি চাঁদাবাজিতে ওস্তাদ ? আপনার নেতারা কি টেন্ডার নিয়ে ব্যতিব্যস্ত ? তারা কি সংখ্যালঘু-দুর্বলদের কাছে ত্রাস হিসেবে চিন্তিত? প্রশ্ন আরও অনেক কিছুই উঠবে আগামী ভোটের আগে।তাই আগামী ২৩ জুন শপথ নিন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা । বারবার পাঠ করুন জাতির জনকের দেয়া নানা ভাষণ ।

১৯৭৫ সালের ১১ জানুয়ারি কুমিল্লার সামরিক একাডেমিতে শেখ মুজিব দৃপ্তকণ্ঠেই বলেছিলেন, ‘যদি আমরা সোনার ছেলে তৈরি করতে পারি, তাহলে ইনশাল্লাহ আমার স্বপ্নের সোনারবাংলা একদিন অবশ্যই হবে। আমি হয়তো দেখে যেতে পারবো না। কিন্তু তা হবে। আজ বাংলাদেশের সম্পদ কেউ লুট করে নিতে পারবে না । বাংলার মাটিতেই তা থাকবে, তিনি বলেছিলেন ” আমি প্রতিজ্ঞা করেছি বাংলাদেশের মাটি থেকে ঘুষখোর, দুর্নীতিবাজ, মুনাফাখোর আর চোরাচালানকারীদের নির্মূল করবো ।’ একই বছর ১৫ জানুয়ারি ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ লাইনে দেওয়া ভাষণে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, আপনারা একবার আল্লাহর নামে প্রতিজ্ঞা করুন আমরা দুর্নীতির ঊর্ধ্বে থাকবো।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও