স্মার্ট কৃষি যখন প্রত্যাশা

ঢাকা পোষ্ট সমীরণ বিশ্বাস প্রকাশিত: ০৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:৫৮

চতুর্থ শিল্প বিপ্লব মানবসভ্যতার উৎপাদন, ব্যবস্থাপনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ধারায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ইন্টারনেট অব থিংস (IoT), বিগ ডাটা, রোবোটিক্স, ড্রোন প্রযুক্তি ও স্মার্ট সেন্সরের সমন্বয়ে গড়ে উঠছে এক নতুন ডিজিটাল বিশ্ব। এই প্রযুক্তিগত রূপান্তরের প্রভাব শুধু শিল্প ও সেবা খাতেই সীমাবদ্ধ নয়; কৃষি, যা মানবজীবনের মৌলিক ভিত্তি, তাও গভীরভাবে রূপান্তরের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।


বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর কৃষি আজ বহুমুখী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। আবাদযোগ্য জমি হ্রাস, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব, শ্রম সংকট, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার চাপ কৃষিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। প্রচলিত কৃষি ব্যবস্থায় এসব সমস্যার টেকসই সমাধান ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। ঠিক এই প্রেক্ষাপটেই চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রযুক্তি কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে।


ডিজিটাল ও স্মার্ট কৃষির মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ সম্ভব হচ্ছে। সয়েল সেন্সর দিয়ে মাটির পুষ্টি ও আর্দ্রতা পরিমাপ, ড্রোনের মাধ্যমে সার ও বালাইনাশকের নির্ভুল ব্যবহার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে রোগ-পোকা পূর্বাভাস এবং বিগ ডাটার বিশ্লেষণে ফলন পূর্বানুমান, এসবই আগামীর কৃষিকে আরও দক্ষ, লাভজনক ও পরিবেশবান্ধব করে তুলছে।


ফলে কৃষি আর শুধু অভিজ্ঞতা-নির্ভর পেশা নয়; এটি রূপ নিচ্ছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর এক আধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থায়। এই বাস্তবতায় চতুর্থ শিল্প বিপ্লব ও আগামীর কৃষি বিষয়টি কেবল প্রযুক্তিগত আলোচনায় সীমাবদ্ধ নয়; এটি খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষকের জীবনমান উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জাতীয় অর্থনীতির টেকসই উন্নয়নের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। তাই আগামীর কৃষিকে বুঝতে হলে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রেক্ষাপট, সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জসমূহ সমন্বিতভাবে অনুধাবন করতে হবে।


কৃষিতে আগামীর ভাবনা:


বিশ্ব আজ চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে প্রবেশ করেছে, যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইন্টারনেট অব থিংস (IoT), বিগ ডাটা, রোবোটিক্স ও ড্রোন প্রযুক্তি মানুষের জীবনযাত্রার প্রতিটি স্তরে আমূল পরিবর্তন এনে দিচ্ছে। এই পরিবর্তনের ঢেউ কৃষিকেও স্পর্শ করেছে গভীরভাবে। ঐতিহ্যগত অভিজ্ঞতা ও অনুমান নির্ভর কৃষি ব্যবস্থা ধীরে ধীরে রূপ নিচ্ছে তথ্যভিত্তিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও স্মার্ট কৃষিতে। আগামীর কৃষি আর শুধু মাঠের শ্রম নয়, বরং ডেটা, বিশ্লেষণ ও প্রযুক্তির সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি আধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থায় পরিণত হচ্ছে।


ডিজিটাল ও স্মার্ট কৃষির পথে বাংলাদেশ:


ডিজিটাল ও স্মার্ট কৃষির মূল শক্তি হলো তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ। আগে কৃষক মাটির অবস্থা, সেচের প্রয়োজন কিংবা সারের মাত্রা নির্ধারণ করতেন অভিজ্ঞতা ও অনুমানের ওপর ভিত্তি করে। এতে অনেক সময় অতিরিক্ত সার ও পানি ব্যবহার হতো, যা একদিকে উৎপাদন খরচ বাড়াত, অন্যদিকে পরিবেশ ও মাটির ক্ষতি করত।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও