রাজনৈতিক বক্তব্যে শিষ্টাচার থাকা বাঞ্ছনীয়

কালের কণ্ঠ ড. নিয়াজ আহম্মেদ প্রকাশিত: ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:২০

রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের প্রতিনিধিত্ব এবং দেশ পরিচালনা করে বিধায় তাদের যাবতীয় কর্মকাণ্ড মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়া বাঞ্ছনীয়। অতীতের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের কাছে আমরা সুন্দর, সাবলীল এবং পরিশীলিত বক্তব্য ও আচরণ পাইনি। রাজনৈতিক বক্তব্যে অন্য দলকে ঘায়েল করার জন্য গালিগালাজ, বিদ্রুপ ও অশ্লীল মন্তব্য, হুমকিসহ অসংখ্য নেতিবাচক আচরণ পর্যবেক্ষণ করেছি। মানুষকে অন্য কিছু দিয়ে যতটা না হেয় করা যায় তার চেয়ে বেশি হেয় করা যায় কথা দিয়ে।

কথা দিয়ে মানুষকে আঘাত করার চেয়ে বড় কোনো অস্ত্র আর পৃথিবীতে নেই। কাজেই শুধু রাজনৈতিক নেতৃত্বই নয়, যেকোনো সাধারণ মানুষকে অন্যের সম্পর্কে কথা বলার আগে ভেবেচিন্তে বলা উচিত। রাজনৈতিক  দলকে বলা এবং দলে কোনো বিশেষ ব্যক্তিকে বলার মধ্যে আবার পার্থক্য আছে। ব্যক্তিমনে কোনো বিরূপ মন্তব্য অনেক সময় মানসিক স্বাস্থ্যকে দারুণভাবে ঝুঁকিতে ফেলে।

সমাজের ওপর এরূপ মন্তব্য ও আচরণও কম প্রভাব বিস্তার করে না। অবাধ তথ্যপ্রবাহের যুগে এখন আর আমাদের মূলধারার গণমাধ্যম যেমন টেলিভিশন ও সংবাদপত্রের জন্য অপেক্ষা করতে হয় না। কোনো নেতা কিংবা কর্মীর আনুষ্ঠানিক কিংবা অনানুষ্ঠানিক বক্তব্য কিংবা মন্তব্য মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। 


একটি সফল অভ্যুত্থানের পর আন্দোলনকারী এবং রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে আমাদের প্রত্যাশা ছিল অনেক বেশি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও