You have reached your daily news limit

Please log in to continue


ভেনেজুয়েলায় মার্কিন আগ্রাসন: বিশ্বব্যবস্থার কফিনে কি শেষ পেরেক

লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায় সামরিক হামলা চালিয়ে সে দেশের প্রেসিডেন্টকে সস্ত্রীক অপহরণ করার মতো ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটাল বৃহৎ শক্তিধর দেশ যুক্তরাষ্ট্র। মাদক দমনের নামে বেশ কিছুদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার উপকূল এলাকায় নানা ধরনের আক্রমণ চালাচ্ছিল।

মাদক বহনের কারণ দেখিয়ে বিভিন্ন সময় দেশটির ৩০টির বেশি নৌযানে প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে, ২টি তেলের ট্যাংকার জব্দ করেছে। একপর্যায়ে সরাসরি হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্টকে অপহরণ করল।

যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্যের ইতিহাসে ভিনদেশে হামলা চালিয়ে সরকারপ্রধানকে অপহরণের ঘটনা বিরল নয়। ভেনেজুয়েলায় হামলার ঠিক ৩৬ বছর আগে যুক্তরাষ্ট্র পানামার প্রেসিডেন্ট ম্যানুয়েল নরিয়েগাকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল।

তখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ। যুক্তরাষ্ট্র পানামায় হামলার মতো অন্যায় একটি অপারেশনের নাম দিয়েছিল ‘অপারেশন জাস্ট কজ’।

পানামার প্রেসিডেন্ট ম্যানুয়েল নরিয়েগাকে আটক করার পেছনেও মাদক পাচারকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। নরিয়েগা একসময় যুক্তরাষ্ট্রের বেশ ঘনিষ্ঠ মিত্র ছিলেন। শুধু পানামাতেই নয়, গোটা লাতিন আমেরিকায় মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় নরিয়েগার গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল।

কিন্তু তিনি যখন স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে চাইলেন, তখনই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাঁর বিরোধ তৈরি হলো এবং মাদক পাচারের দায়ে তাঁকে অভিযুক্ত করা হলো।

একপর্যায়ে ১৯৮৯ সালের ২০ ডিসেম্বর প্রায় ২৬ হাজার মার্কিন সেনা পানামায় সামারিক আগ্রাসন চালান। এ সময় নরিয়েগা ভ্যাটিকানের দূতাবাসে আত্মগোপন করেন এবং শেষ পর্যন্ত ১৯৯০ সালের ৩ জানুয়ারি মার্কিন কর্তৃপক্ষের কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হন।

এরপর মাদক পাচারের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের আদালত নরিয়েগাকে দোষী সাব্যস্ত করে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেন। যুক্তরাষ্ট্রে জেল খাটা শেষে তাঁকে অর্থ পাচারের সাজা ভোগের জন্য ফ্রান্সে পাঠানো হয় এবং এরপর হত্যা ও অন্যান্য অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি করতে পানামায় ফেরত পাঠানো হয়, যেখানে তিনি ২০১৭ সালে ৮৩ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

কাজেই ভেনেজুয়ালার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী কর্তৃক অপহরণ করার ঘটনাটি শুধু ব্যক্তি ট্রাম্পের আগ্রাসী আচরণের কারণে ঘটেছে, এ রকম মনে করার কোনো কারণ নেই। এই আগ্রাসী আচরণ যুক্তরাষ্ট্রের সাম্রাজ্যবাদী চরিত্রেরই বহিঃপ্রকাশ।

সাম্রাজ্যবাদী শক্তি যে তার নিজ স্বার্থে আন্তর্জাতিক আইন, সার্বভৌমত্ব, মানবাধিকার ইত্যাদি কোনো কিছুর ধার ধারে না, ভেনেজুয়ালায় সাম্প্রতিক হামলার মধ্য দিয়ে তা আবারও দেখা গেল।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন