তেলবাজির রাজনীতির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট!

কালের কণ্ঠ গোলাম মাওলা রনি প্রকাশিত: ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:২২

লালুপ্রসাদ যাদবের একটি বক্তব্য ইন্টারনেটে রীতিমতো ভাইরাল আকারে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বিহারের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় সরকারের সাবেক রেলমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদব পাক-ভারত উপমহাদেশের অত্যন্ত আলোচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। ঘটনার দিন তিনি ভারতীয় লোকসভায় বক্তব্য দিচ্ছিলেন। কংগ্রেস জামানায় যদিও প্রধানমন্ত্রীরূপে মনমোহন সিং দায়িত্ব পালন করছিলেন, কিন্তু পর্দার আড়ালে সব ক্ষমতার মালিক ছিলেন সোনিয়া গান্ধী।

আর সোনিয়া গান্ধীকে কেন্দ্র করে ভারতবর্ষে যে নয়া চাটুকার শ্রেণির দাপট শুরু হয়েছিল তা প্রকাশ করার জন্য জনাব লালু পার্লামেন্টে যেভাবে বক্তব্য উপস্থাপন করেছিলেন তা আধুনিক গণতন্ত্রের সমালোচনার ক্ষেত্রে এক নতুন মাইলস্টোন স্থাপন করেছে।


লালু বলেছিলেন, ম্যাডামজি! প্লিজ! টিটিএমপি থেকে সাবধান হোন, তা না হলে ওরা আপনার সর্বনাশ করে ছাড়বে। পুরো পার্লামেন্ট লালুর মুখে টিটিএমপি শব্দ শুনে প্রথমে স্তম্ভিত হয়ে পড়ল। তারা মনে করল টিটিএমপি সম্ভবত পাকিস্তানের কোনো সন্ত্রাসবাদী নতুন সংগঠন।

স্বয়ং সোনিয়া গান্ধীও আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে লালুর প্রতি তাকালেন। তখন লালু বললেন, টিটিএমপি হলো তেল তোড়কে মালিশ পার্টি—যাদের কাজই হলো তেলের শিশি নিয়ে আপনার পেছনে ছুটে বেড়ানো। লালুর কথা শুনে পুরো পার্লামেন্ট হাসিতে ফেটে পড়ল। সোনিয়া গান্ধীও খুব হাসলেন।

লালু এরপর বললেন— আমারও অনেক টিটিএমপি আছে, কিন্তু আমি তাদের ব্যাপারে সচেতন থাকার কারণে তারা সর্বনাশ ঘটাতে পারে না। কিন্তু আপনাকে নিয়ে যে তেলবাজি চলছে, তা ইতিহাসের সব সীমা অতিক্রম করেছে।


বাংলাদেশের রাজনীতিতে স্বাধীনতার পর থেকে আজকের দিন পর্যন্ত তেল মালিশ পার্টির দাপট জ্যামিতিক হারে কিভাবে বেড়েছে এবং কিভাবে রাজনীতির সব সম্ভাবনাকে গলা টিপে হত্যা করেছে তা নিয়ে আলোচনা করব। কিন্তু তার আগে প্রাচীন দুনিয়ার দুটি ঐতিহাসিক ঘটনা আপনাদেরকে বর্ণনা করতে চাই। দুটো ঘটনার সময়কাল প্রায় কাছাকাছি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও