এ যুদ্ধকে ‘না’ বলতে হবে
বিশ্ব মানচিত্রে মধ্যপ্রাচ্য গত ১০০ বছর অব্যাহত অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর এ অঞ্চলের মানচিত্র নতুন করে আঁকার চেষ্টা করা হয়। এ প্রচেষ্টার শিরোমণি ছিল ব্রিটেন। তারপর থেকে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ অনেক ঘটনা ঘটেছে। বেলফোর ঘোষণার পথ ধরে ফিলিস্তিনিদের নিজ ভূমি থেকে উচ্ছেদ করে বন্দুকের জোরে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল ইহুদিবাদী ইসরাইল রাষ্ট্র। ইউরোপ ও রাশিয়াসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ইহুদিদের জড়ো করা হয় ফিলিস্তিন থেকে দখল করা ভূখণ্ডে, যার নাম দেওয়া হয়েছিল ইসরাইল। বিশ্ব শক্তিগুলো নিজেদের দেশে ইহুদিদের জন্য কোনো বাসভূমি প্রতিষ্ঠা করেনি। তাদের সহায়তায় ইহুদি টেরোরিস্টরা ফিলিস্তিনের একটি এলাকা দখলে নিয়ে প্রতিষ্ঠা করে ইসরাইল রাষ্ট্র।
জ্ঞান-বুদ্ধি হওয়ার পর থেকে জেনে এসেছি, মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইল হলো ইঙ্গ-মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বরকন্দাজ। মধ্যপ্রাচ্যের তেল সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জন্য সাম্রাজ্যবাদীরা ব্যবহার করেছে আঞ্চলিক পুলিশি রাষ্ট্র ইসরাইলকে। অন্যদিকে রাজতন্ত্র অধ্যুষিত মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো রাজতন্ত্রকে রক্ষা করার জন্য ইসরাইল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পায়রবি করেছে।
- ট্যাগ:
- মতামত
- অস্থিরতা
- অর্থনৈতিক পরাশক্তি
- পরাশক্তি