কম শক্তি নিয়েও মনোবল অটুট ইরানের
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্মিলিত শক্তির কাছে ইরানের শক্তি ধর্তব্যের মধ্যে পড়ে না। তার পরও যুদ্ধ শুরুর প্রায় দুই সপ্তাহ সময়ের মধ্যে ইরান লড়ে যাচ্ছে সাহসের সঙ্গে। মাঝে ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ বন্ধের শর্ত হিসেবে ইরানকে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের আহবান জানিয়েছিলেন। এবার পাল্টা ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান এই যুদ্ধ বন্ধে তিনটি শর্তের কথা জানিয়েছেন, যার মধ্যে প্রথম শর্ত হিসেবে রয়েছে ইরানের সার্বভৌম অধিকারের প্রতি স্বীকৃতি প্রদান; দ্বিতীয়ত, যুদ্ধের জন্য ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং তৃতীয়ত, ভবিষ্যতে আর হামলা না চালানোর ন্লিয়তা প্রদান।
এর মধ্য দিয়ে এটিই বোঝা যাচ্ছে যে গত বছরের জুন মাসে ১২ দিনের যুদ্ধের তুলনায় এটি এক ভিন্ন রূপ নিতে যাচ্ছে। আর যাবেই না কেন, ইরানের বিপ্লবী সরকারকে উত্খাতের জন্য যে নীলনকশা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল মিলে করেছে, এর মধ্য দিয়ে এটিই বোঝা যায়, কোনোভাবে যদি যুদ্ধ বন্ধ হয়, তাহলে এটি হবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য এক কৌশলগত পদক্ষেপ, যার মাধ্যমে তারা নিজেদের অপরাজিত ভেবে যুদ্ধের মাঠ থেকে আপাত বিদায় নিয়ে ভবিষ্যতে আরো কঠোর হামলার জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে পারবে।
- ট্যাগ:
- মতামত
- ভূরাজনীতি
- ভূরাজনৈতিক অবস্থান