বিশ্বাসের স্বাধীনতা মানুষের মৌলিক অধিকার

জাগো নিউজ ২৪ মাহমুদ আহমদ প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৫২

ইসলাম জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সাথে উত্তম আচরণ ও সম্প্রীতির শিক্ষা দেয়। সমাজ ও দেশে বিশৃঙ্খলা আর অশান্তি সৃষ্টি করার কোনো অনুমতি ইসলাম দেয় না।


ইসলাম মানুষকে অভিন্ন মানবিক অধিকার ও মর্যাদা দিয়ে থাকে। জোর করে কাউকে ধর্ম গ্রহণে বাধ্য করা অথবা বল প্রয়োগ বা করার শিক্ষাও আমরা পবিত্র কুরআন ও শ্রেষ্ঠনবি হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদর্শ থেকে পাই না।


পবিত্র কুরআনই এ ঘোষণা দেয়, বিশ্বাসের স্বাধীনতা হচ্ছে সব মানুষের মৌলিক অধিকার। পছন্দ মাফিক যে কোনো ধর্মেই তারা বিশ্বাস স্থাপন করতে পারে এবং তাদের পছন্দ মোতাবেক তারা যে কোনো ধর্মেরই অনুসারী হতে পারে।


পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ইরশাদ করেন, ‘এবং বল, এটা হচ্ছে তোমার প্রভুর কাছ থেকে আগত সত্য, সে কারণে যে চায়, এতে বিশ্বাস করুক এবং যে চায়, অবিশ্বাস করুক।’ (সুরা আল কাহফ, আয়াত : ২৯)।


ইসলাম হচ্ছে এক সুস্পষ্ট সত্য, যারা এতে বিশ্বাস করতে পছন্দ করে, তাদেরকে তা করতে দেয়ার কথা বলা হয়েছে এবং যারা এতে বিশ্বাস করতে চায় না, তাদেরকে সেটা অগ্রাহ্য করারও পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে। ধর্মের বিষয়ে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। এটাকে পছন্দ করার ব্যাপারে মানুষকে স্বাধীনতা দান করা হয়েছে। ইসলামের এমন কোন অস্ত্র নেই, যা দিয়ে কোন মানুষকে জবরদস্তি করে ধর্মান্তরিত করা যায়।


অন্য ধর্মের অনুসারীদের সাথে আচরণের বিষয়ে ইসলামের শিক্ষা নিয়ে অন্য আরেকটি প্রশ্ন অনেকের মনে পীড়া দেয়। ইসলাম কি


মুসলমানদেরকে অন্য ধর্মের অনুসারীদের প্রতি ঘৃণা করতে নাকি সম্মান ও দয়া প্রদর্শন করতে শিক্ষা দেয়? এ বিষয়ের ওপর পবিত্র কুরআন প্রচুর পথনির্দেশনা দান করে।


পবিত্র কুরআনে আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেন, ‘বল, হে আহলে কিতাব! আমাদের এবং তোমাদের মধ্যে সমশিক্ষাপূর্ণ একটি নির্দেশের দিকে এসো-যা হচ্ছে, আমরা কেবল এক আল্লাহর ইবাদত করি, এবং আমরা তার সাথে আর কাউকেই শরিক করি না, এবং তাকে ছাড়া আমরা আর কাউকেই প্রভু-প্রতিপালক বলে মান্য করি না।’ (সুরা আলে ইমরান, আয়াত : ৬৪)

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও