সারা দেশে ইটের ভাটা নিয়ে একধরনের তণ্ডব চলছে। কোথাও ধানী জমিতে ইটভাটা, কোথাও আবাদি জমির উর্বর মাটি কেটে ভাটার কাজে ব্যবহার, কোথাওবা ভাটায় সরকারি নির্দেশ লঙ্ঘন করে মূল্যবান বনজসম্পদ জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার, আবার কোথাও ইটভাটায় নিচু চিমনি ব্যবহার করে পরিবেশদূষণ ইত্যাদি চলছে অব্যাহতভাবে। রাজধানী ঢাকা ও বন্দরনগরী চট্টগ্রামের সংযোজনকারী মহাসড়কে একবার যাতায়াত করলেই বুঝা যায়, ইটভাটার নামে কত ব্যাপক যথেচ্ছাচার চলছে আইন লঙ্ঘন এবং পরিবেশ দূষণ করে। পত্রপত্রিকায় প্রায় প্রতিদিনই ইটভাটার ব্যবসার আড়ালে দেশব্যাপী কী অবস্থা বিরাজ করছে, তার ওপর সচিত্র প্রতিবেদন, সংবাদ এবং সম্পাদকীয় কিংবা নিবন্ধ ও চিঠিপত্র ছাপা হচ্ছে দীর্ঘকাল ধরে।
কিন্তু ইটভাটার মালিকদের বেপরোয়া মনোভাব আগের মতোই রয়ে গেছে। এর একটি নজির, জাতীয় দৈনিকে সম্প্রতি প্রকাশিত আলোচ্য রিপোর্ট। শরীয়তপুর জেলার খবরটি প্রমাণ করছে আইনের সুষ্ঠু প্রয়োগ কতটা হচ্ছে এবং আইনের প্রতি আমাদের অনেকের শ্রদ্ধা কিংবা পরিবেশদূষণ প্রতিরোধে আমাদের সতর্কতা কতটুকু, তার ব্যাপারে।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.