ছবি সংগৃহীত

ফাজিল ও কামিল পাস শিক্ষার্থীরা বিসিএসের অযোগ্য : আশরাফ

priyo.com
লেখক
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ১৫:৪৯
আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ১৫:৪৯

মাদ্রাসা বোর্ড থেকে ফাজিল ও কামিল পাস শিক্ষার্থীরা বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। সোমবার জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য বেগম নিলোফার চৌধুরী মনির প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বিসিএস পরীক্ষার জেনারেল ক্যাডারের প্রার্থীদের জন্য স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা এইচএসসি পরীক্ষা পাসের পর ৪ বছর মেয়াদী শিক্ষা সমাপনী ডিগ্রি অথবা সমমানের ডিগ্রি হতে হবে। তবে কোনো প্রার্থীর শিক্ষা জীবনে একাধিক তৃতীয় বিভাগ/শ্রেণি থাকলে তিনি যোগ্য বিবেচিত হবেন না। তিনি আরও বলেন, এছাড়া টেকনিক্যাল ক্যাডারের জন্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রথম শ্রেণির মাস্টার্স ডিগ্রি অথবা দ্বিতীয় শ্রেণির অনার্সসহ দ্বিতীয় শ্রেণির মাস্টার্স ডিগ্রি হতে হবে। মাদ্রাসা বোর্ড নেওয়া ডিগ্রি কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন থেকে স্বীকৃত স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রির সমমান নয় বলে তারা বিএসএস পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে না। সংসদে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন ‘পদ স্বল্পতার কারণে বিসিএস উত্তীর্ণ সব প্রার্থীকে ক্যাডার পদে নিয়োগ দেয়া সম্ভব হয় না। এদের মেধাক্রম অনুযায়ী নন-ক্যাডারের শূন্য পদে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। ২৮তম বিসিএস হতে ‘নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ বিধিমালা-২০১০’ বিধি অনুযায়ী এ নিয়োগ হচ্ছে।’ বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির লিখিত প্রশ্নের জবাবে সৈয়দ আশরাফ বলেন ‘এ বছরের ১৮ জুলাই ৩২৬ জন উপ-সচিবকে যুগ্ম সচিব হিসেবে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। তাদের দিয়ে উপ-সচিবের কাজ করানো হচ্ছে না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বিভাগের উপ-সচিব পদকে পুনর্বিন্যাস করে সেখানে যুগ্ম সচিবদের পদায়ন করা হয়েছে এবং বিভিন্ন দপ্তর অথবা সংস্থায় প্রেষণে নিয়োগ করা হচ্ছে।’