ডায়াবেটিস রোগীদের হাইপোগ্লাইসেমিয়া

বণিক বার্তা প্রকাশিত: ০৮ জুন ২০২৬, ১১:০৫

আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষে সার্বক্ষণিক শক্তির জোগান দিতে রক্তের গ্লুকোজ বা শর্করা জ্বালানি হিসেবে কাজ করে।


শক্তির জোগানদাতা এ শর্করা হঠাৎ নির্দিষ্ট নিরাপদ মাত্রার চেয়ে কমে গেলে সে অবস্থাকে হাইপোগ্লাইসেমিয়া বলা হয়। সময়মতো শর্করার এ ঘাটতি পূরণ করা না হলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হতে শুরু করে। মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতাও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হাইপোগ্লাইসেমিয়া দীর্ঘ সময় চলতে থাকলে রোগী অচেতন হয়ে পড়ে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে রোগীর মৃত্যুও হতে পারে।


হাইপোগ্লাইসেমিয়া আসলে কী



একজন সুস্থ মানুষের খালি পেটে রক্তের শর্করার আদর্শ পরিমাপ হলো ৩ দশমিক ৯ থেকে ৫ দশমিক ৫ মিলিমোল/লিটার। কিন্তু এ মাত্রা যদি ৩ দশমিক ৯ মিলিমোল/লিটারের নিচে নেমে যায়, তবেই বিপত্তি ঘটে। এ অবস্থাকেই বলা হয় হাইপোগ্লাইসেমিয়া। এক্ষেত্রে রোগীকে দ্রুত শর্করা সরবরাহ করা না হলে মস্তিষ্কে পুষ্টির অভাব ঘটে এবং রোগী অসংলগ্ন কথা বলতে শুরু করে। এ সময় রোগী জ্ঞানও হারাতে পারে, এমনকি তীব্র খিঁচুনিও শুরু হতে পারে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও