শব্দদূষণের ‘অসুস্থ সংস্কৃতি’ বদলাবে কে

প্রথম আলো খলিলউল্লাহ প্রকাশিত: ০৮ জুলাই ২০২৬, ২১:১০

১৯১০ সালে যক্ষ্মা বিষয়ে যুগান্তকারী অবদানের জন্য চিকিৎসক রবার্ট কোচকে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। সে সময়ে তিনি বলেছিলেন: ‘মানুষকে একদিন শব্দ-দূষণের মোকাবিলা করতে হবে কলেরা ও প্লেগ ঠেকানোর মতো সমান গুরুত্বের সঙ্গে।’ তখন কে ভেবেছিল একদিন এমন ভয়ঙ্কর সত্য হয়ে উঠবে তাঁর সেই ভবিষ্যদ্বাণী?


মাত্রাতিরিক্ত শব্দের কারণে ইতোমধ্যে দেশের লাখো মানুষ কানে কম শোনে। সেই সঙ্গে যোগ হয়েছে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগসহ ফুসফুসজনিত জটিলতা, মস্তিষ্ক বিকৃতি, স্মরণশক্তি হ্রাস, মানসিক চাপসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা। এক্ষেত্রে শিশু ও প্রবীণরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হচ্ছে।


বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, মানুষের শব্দ গ্রহণের স্বাভাবিক মাত্রা ৪০-৫০ ডেসিবল। পরিবেশ অধিদপ্তরের এক জরিপে দেখা যায়, দেশের বিভাগীয় শহরগুলোয় শব্দের মানমাত্রা ১৩০ ডেসিবল ছাড়িয়ে গেছে। অর্থাৎ স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে আড়াই থেকে তিনগুন বেশি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও