পদ্মা রেললাইনে চুরির উৎসব

www.ajkerpatrika.com পদ্মা সেতু প্রকাশিত: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩২

ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে যশোর পর্যন্ত নির্মিত ২৩৬ কিলোমিটার নতুন রেললাইন দেশের অন্যতম বৃহৎ রেল অবকাঠামো প্রকল্প। প্রায় ৩৮ হাজার ৬২৯ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত হয়েছে এই প্রকল্প। জনবলসংকট, সীমিত ট্রেন চলাচল এবং যথেষ্ট নিরাপত্তা না থাকার সুযোগে ব্যয়বহুল এ রেলপথের বিভিন্ন স্থাপনা ও যন্ত্রাংশ চুরি হয়ে যাচ্ছে। এতে একদিকে যেমন রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে বিঘ্নিত হচ্ছে ট্রেন চলাচলের নিরাপত্তা।


সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নতুন রেললাইন থেকে প্রায় ৯৩ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ রেল অবকাঠামোর অংশ ও যন্ত্রাংশ চুরি হয়েছে। সম্প্রতি পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান কনস্ট্রাকশন সুপারভিশন কনসালট্যান্ট (সিএসসি) এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়েকে একটি বিস্তারিত চিঠি দিয়েছে। চিঠিতে পুরো প্রকল্প করিডরজুড়ে নিয়মিত চুরি ও নাশকতার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে, চুরি হওয়া সরঞ্জামের মধ্যে রেললাইন-সংশ্লিষ্ট ৪২ ধরনের সামগ্রী রয়েছে। এ ছাড়া সেতু, কালভার্ট, আন্ডারপাস ও ভায়াডাক্ট থেকে ৮ ধরনের; স্টেশন, ভবন ও গেট থেকে ১৩ ধরনের; বৈদ্যুতিক ১৬ ধরনের এবং সিগন্যাল ও টেলিযোগাযোগব্যবস্থার ১৪ ধরনের সরঞ্জাম চুরি হয়েছে।

চুরি হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে গার্ড রেলের স্ক্রু স্পাইক, ফিশ বোল্ট, ইলাস্টিক রেল ক্লিপ, ফিশ প্লেট, টার্ন আউট বোল্ট, গেজ প্লেট, বাফারের বিভিন্ন অংশসহ লাইনের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ। সেতু ও আন্ডারপাসের চুরি হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে স্টিল গ্রেটিং প্লেট, হ্যান্ডরেল, রেলিং, জয়েন্ট প্লেট ও ট্র্যানজিশন পাইপ।


স্টেশন ও ভবনের বিভিন্ন স্থাপনা থেকে পাম্প হাউসের মোটর, পানির মিটার, দরজার লকিং সিস্টেম, জানালার কাচ, গ্রিল, ম্যানহোল কভার, টয়লেটের স্যানিটারি ফিটিংস, পানির কল ও ফ্যান চুরি হয়েছে। আরও চুরি হচ্ছে বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার কেব্‌ল, ডিস্ট্রিবিউশন বোর্ড, মোটর কন্ট্রোল বক্স, সাবমারসিবল পাম্প এবং সিগন্যাল ব্যবস্থার কেব্‌ল, ট্র্যাক ট্রান্সফরমার, অ্যাক্সেল কাউন্টার, পয়েন্ট মেশিন ও পয়েন্ট মোটরের মতো গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র বা যন্ত্রাংশ।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও