সব হিসাব বিশ্বকাপে মিলবে না

কালের কণ্ঠ ইকরামউজ্জমান প্রকাশিত: ২৬ জুন ২০২৬, ১০:৩৬

ফুটবল দুনিয়ার বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ এখন একটা ঘোরের মধ্যে আছে। খেলাটির সৌন্দর্য আর উত্তেজনা উপভোগের পাশাপাশি আবার অস্বস্তি, উৎকণ্ঠা ও অনিশ্চয়তা লেগেই আছে।

মাঠের ফুটবল তো এক নিয়মে গড়ায় না। একটি বিশ্বকাপের সঙ্গে আরেকটি বিশ্বকাপের কোনো মিল নেই। রোমাঞ্চ ছড়ানো, সফলতা ও ব্যর্থতার রূপ একদম ভিন্ন। অপ্রত্যাশিত ফলাফল, অঘটন আর চমক বিশ্ব ফুটবলের নিত্যসঙ্গী।

হিসাব মিলে গেলে তো বিশ্বকাপের মজা আর থাকবে না, যা ভাবা হয়নি, সেটি বাস্তবে ঘটতে সময় লাগছে না। আবার নিশ্চিত বিষয়গুলো জটিল হয়ে উঠছে। সত্যি, ফুটবলের গল্প একেক সময় একেক রকম। আমরা সাধারণরা শুধু মত পাল্টাই না, ফুটবল পণ্ডিতরাও মত পাল্টান।

আগে বলা হয়েছিল, কাপ আবার ইউরোপে ফিরে যাবে; এখন বলা হচ্ছে, মেসির আর্জেন্টিনার কাপ ধরে রাখার সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। অনেক আগেই বলা হয়েছে, যে কয়টি দেশ বিগত ৯৬ বছরে ট্রফি জিতেছে, ২০২৬-এর ফিফা ট্রফি সেই দেশগুলোর বাইরে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। এই বিষয়ে ফুটবল পণ্ডিতরা তাঁদের মত এখনো পাল্টাননি। অর্থাৎ ২০১০ সালে স্পেনের পর আর নতুন দেশের দেখা মিলবে না। বিশ্বকাপে এবার সবচেয়ে দামি দল ফ্রান্স।

চলমান বিশ্বকাপে শিরোপা অধিকার করার সম্ভাব্য তালিকায় ফুটবল বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন ধরনের যুক্তি উত্থাপন করে এখন পর্যন্ত ফ্রান্সকে সবার ওপরে রেখেছেন। তবে এই তালিকায় আর্জেন্টিনা, স্পেন, জার্মানি এবং ইংল্যান্ডকেও রাখা আছে। ব্রাজিলের বিষয়ে অনেক কথাবার্তা, দ্বিধাদ্বন্দ্ব ও যুক্তিতর্ক আছে। শেষ পর্যন্ত কী হতে পারে, তা দেখার জন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে। মাঠের লড়াই তো সব নয়, ওপরের নির্দেশকদের সহায়তা ছাড়া কিছুই তো হবে না। হায়রে ভাগ্য! ভারসাম্যপূর্ণ দল নিয়েও শেষ পর্যন্ত ফিফা ট্রফি ছোঁয়ার সুযোগ হয়নি—এমন ইতিহাস বিশ্বকাপে অনেক।


বিশ্বকাপ ফুটবল তো শুধু একটি বৃহৎ প্রতিযোগিতা নয়, এটি একটি আবেগ। একটি স্বপ্ন। মানবতার সপক্ষে ক্রীড়াঙ্গনে সবচেয়ে বড় সামাজিক আন্দোলন। এই ফুটবলের মধ্যে মানবজাতির কল্যাণ ও অগ্রগতি নিশ্চিত করার জন্য লুকিয়ে আছে শক্তিশালী অস্ত্র। কথা হলো  কূট আন্তর্জাতিক রাজনীতির বিপক্ষে লড়ার শক্তি ফিফার খুব কম। এই অবস্থায় মানবতার অপমানকে ফিফা রুখতে পারবে না। এটিই বাস্তবতা। ইরানের প্রতি স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের নিন্দনীয় আচরণের পরও ইরান ফুটবলে অংশ নিয়েছে। ইরানের অংশগ্রহণ পুরো দুনিয়াকে একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে। ইরান যেভাবে বিশ্বের সহানুভূতি ও সমর্থন পেয়েছে, এটি খেলায় জেতার চেয়ে অনেক বেশি কিছু! এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী।


গোটা বিশ্ব এখন রোমাঞ্চকর ফুটবল মাঠে ভাসছে। ফুটবলের সৌন্দর্য ও নান্দনিকতা বিশ্বজুড়ে বিক্রি হচ্ছে। ফুটবলের জাতশিল্পীদের জার্সি নম্বর নয়, তাঁদের দুই পা দিয়ে সবুজ ক্যানভাসে সৃষ্ট অসাধারণ শিল্পকলা মাঠকে আলোকিত করছে। এক দল হারিয়ে যাবে, আরেক দল জ্বলে উঠবে। এটি তো জগৎ সংসারেরও নিয়ম। পেশাদার ফুটবলারদের ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ চূড়া হলো বিশ্বকাপ।


জাতীয় দলের আবেগ আর লক্ষ্যের সঙ্গে ক্লাব ফুটবলের কোনো তুলনাই চলে না। জাতীয় দলে খেলার জন্য সবাই মুখিয়ে থাকেন। এই সম্মান ও গৌরব তো তুলনাহীন। বিশ্বকাপ ট্রফিটি যে কত মহার্ঘ, দেশ, খেলোয়াড় ও সমর্থকদের কাছে এটি লিখে বোঝানো মুশকিল। বিশ্বকাপ সব সময় বিশেষ। আন্তর্জাতিক ফুটবলের দর্শনে ঠাসা! সমর্থকরা আবেগে ভাসে, চাপ সৃষ্টি হয়—আর এটি খেলেই তো প্রতিদিন পারফরম করছেন খেলোয়াড়রা। একটির পর একটি খেলা ছন্দ ধরে রেখে পারফরম করা ছাড়া উপায় নেই।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও