সিজার ছাড়া চিকিৎসাসেবা নেই মৌলভীবাজারে

জাগো নিউজ ২৪ মৌলভীবাজার প্রকাশিত: ২৯ মে ২০২৬, ১৭:২৬

স্বাধীনতার পাঁচ দশক পার হলেও মৌলভীবাজারে প্রায় ২২ লাখ মানুষের জন্য গড়ে ওঠেনি মানসম্মত চিকিৎসা ব্যবস্থা। জেলা সদর হাসপাতাল থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-সবখানেই সীমিত প্রাথমিক সেবার বাইরে মিলছে না প্রয়োজনীয় চিকিৎসা। জটিল তো দূরের কথা, সামান্য রোগের চিকিৎসার জন্যও রোগীদের ছুটতে হচ্ছে বিভাগীয় শহর সিলেটে। সরকারি স্বাস্থ্যসেবার এ সংকটকে পুঁজি করে জেলায় গড়ে উঠেছে প্রায় অর্ধশতাধিক বাণিজ্যিক প্রাইভেট হাসপাতাল, যেখানে ‘প্যাকেজ সেবা’ নামে মূলত প্রসূতির সিজারিয়ান অপারেশন করানো হয়।।


জানা গেছে, জেলার একমাত্র চিকিৎসাসেবার ভরসাস্থল মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যার হাসপাতাল। এ হাসপাতালে আইসিইউ, সিসিইউ, সিটি স্ক্যান, ইকো, হৃদরোগ চিকিৎসাসহ বিশেষায়িত কোনো সেবা নেই। রয়েছে চিকিৎসক সংকট। রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিলেও সামান্য জটিল কিছু হলেই সিলেটে পাঠানো হয়। সদর হাসপাতালে কিছু চিকিৎসা মিললেও ৭টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে চিকিৎসা ব্যবস্থা চরম দুরাবস্থা। এসব বেশিরভাগ হাসপাতালে নেই চিকিৎসক ও চিকিৎসার সরঞ্জাম। হাসপাতালগুলো পরিচালনা হয় চিকিৎসক সংযুক্তিতে (প্রেষণে)। কোনো হাসপাতালে এক্স-রে মেশিন, আল্ট্রাসনোগ্রাফি, ইসিজি মেশিন থাকলেও টেকনোলজিস্টের অভাবে সেগুলো বন্ধ। আবার কোথাও অপারেশন থিয়েটার থাকলেও চিকিৎসকের অভাবে সার্জারি বন্ধ।


জানা গেছে, জেলা শহরের অলিগলিতে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন প্রাইভেট হাসপাতাল। দিন যত যাচ্ছে নতুন নামে প্রাইভেট হাসপাতালগুলোর সংখ্যাও বাড়ছে। এসব হাসপাতালের শুধুমাত্র অন্তঃসত্ত্বা নারীর অস্ত্র পাচার করা হয় চুক্তিতে বা প্যাকেজ হিসেবে। ১৭-১৮ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৩৫-৪০ হাজার টাকা প্যাকেজে প্রসূতিকে সিজার করানো হয়। রোগী পাওয়ার জন্য এসব হাসপাতাল সারা জেলার প্রতিটি ইউনিয়নে নিজস্ব লোক রেখেছে। যার রেফারেন্স হাসপাতালে রোগী আসবে থাকে কমিশন দেওয়া হয় হাসপাতালের পক্ষ থেকে। সিজারের পর মা ও শিশুর কোনো সমস্যা হলে পাঠানো হয় বিভাগীয় শহরে। চিকিৎসার নামে বাণিজ্যিকভাবে গড়ে উঠা হাসপাতালগুলো সাধারণ রোগীদেরকে চরম বিপাকে ফেলে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও