অটোরিকশায় অচল রাজধানী। এভাবে বললেও অত্যুক্তি হবে না। যদিও একসময় এই অটোরিকশা বন্ধে সরকারি উদ্যোগের বিরোধিতা এসেছিল সাধারণ মানুষের তরফেই। তখন বলা হয়েছিল, পায়েচালিত রিকশার চেয়ে ব্যাটারিচালিত এসব অটোরিকশা কম পরিশ্রমের এবং দ্রুত যাতায়াতের জন্য ভালো। তাছাড়া অটোরিকশার কারণে মানুষের যাতায়াতে অর্থেরও সাশ্রয় হবে। যে কারণে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যখন অটোরিকশা তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলো, সাধারণ মানুষের অনেকেই তার বিরোধিতা করেছেন। রিকশাচালকদের আন্দোলনে সমর্থন দিয়েছেন।
কিন্তু সেই অটোরিকশাই এখন রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সব বড় শহরের জন্য বিরাট বোঝায় পরিণত হয়েছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, মানুষের চেয়ে রিকশার সংখ্যা বেশি। অনেক রাস্তায় হাঁটাও যায় না এদের দৌরাত্ম্যে। উপরন্তু, অটোরিকশা চালকদের বেপরোয়া আচরণ, অতিরিক্ত গতিতে চলাচল এবং কাউকে পরোয়া না করার মানসিকতায় অটোরিকশা এখন একটি আতঙ্কের নাম। উপরন্তু, রাস্তায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে এসব অটোরিকশা—যাদের কাছে খোদ পুলিশও অসহায়। কেন এই পরিস্থিতি তৈরি হলো এবং এ থেকে উত্তরণের পথই বা কী?