চলছে যুদ্ধ বসছে সংসদ ডাকছে ঈদ

দেশ রূপান্তর মোস্তফা কামাল প্রকাশিত: ১০ মার্চ ২০২৬, ০৯:১৫

যুদ্ধ আর রাজনীতিতে কেউ কাউকে ছাড়ে না। অতিরাজনীতি-কূটনীতি-সমরনীতির শিকার দেশ ও মানুষ তা হাড়ে হাড়ে ভোগে। মরে, পঙ্গু হয়, স্বজন হারায়, কাঁদে, বিলাপ, আহাজারি করে। নাজাত পায় না। এ সবের এক নাহালতে গোটা বিশ্ব। ভুগছে বাংলাদেশও। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা যত বাড়ছে, তত প্রশ্ন: এ যুদ্ধ থামবে কবে? বাংলাদেশের মতো ছোট দেশগুলো এ যুদ্ধের শরিক না হয়েও ক্ষতিগ্রস্ত। রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের জ্বালা এখনো সইতে হচ্ছে।


সেই ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের ঘাও যায়নি। কত শ্রমিক চাকরি খুইয়ে ফিরেছে। গণবিধ্বংসী অস্ত্র থাকার যে অভিযোগে ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র ইরাক যুদ্ধ শুরু করেছিল, সেই অভিযোগ পরে মিথ্যা প্রমাণিত হয়। তাই এখন ইউরোপীয় দেশগুলো যে কোনো সামরিক পদক্ষেপের আগে আইনি ভিত্তি, স্পষ্ট উদ্দেশ্য এবং বেরিয়ে আসার পথ জানতে চায়। ২ মার্চ রয়টার্সের প্রতিবেদনে দেখা যায়, ইরান প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক আইন ও ন্যাটোর অবস্থান পরিষ্কার না হলে, ইউরোপীয় নেতারা প্রকাশ্যে এগোতে চান না; অতীতের ভুলের পুনরাবৃত্তি এড়াতেই এ অবস্থান। ২০২২ সালে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের পর, ইউরোপের কৌশল বদলে গেছে; রাশিয়াকে তারা তাৎক্ষণিক হুমকি মনে করে। এই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে বড় সংঘাতে জড়ালে ইউক্রেন ইস্যুতে মনোযোগ ও সহায়তা সরে যেতে পারে। তাই তারা একসঙ্গে দুই সংকটে ঢুকতে চায় না। ৩ মার্চ অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসে (এপি) লর্ন কুক লিখেছেন, ‘ইউরোপ সামরিক ঘাঁটি সুরক্ষা ও নাগরিক সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতিতে সক্রিয় থাকলেও সংঘাত বাড়ানোর পথে হাঁটছে না। চলমান ইরান যুদ্ধকে কেবল মধ্যপ্রাচ্যের একটি সংঘাত হিসেবে দেখার জো নেই।’

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও