চলমান আঞ্চলিক যুদ্ধে যে ঝুঁকিতে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা

বণিক বার্তা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান প্রকাশিত: ০৬ মার্চ ২০২৬, ১১:১৮

সম্প্রতি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি ও খার্গ দ্বীপের তেল ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথ হামলা পরিচালনা করে। এ হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ইরানও হরমুজ প্রণালি বন্ধ রেখেছে।


এ সিদ্ধান্তের প্রভাব জ্বালানি তেলের বাজারে প্রত্যক্ষভাবে পড়েছে। বাজারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ হামলার পর গত শুক্রবার ডব্লিউটিআই ক্রুড (অপরিশোধিত) তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে ৬৭ দশমিক শূন্য ২ থেকে বেড়ে ৭১ দশমিক ৪৯ ডলারে চড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে ৮১ দশমিক ৫৭ ডলারে পৌঁছে। পেট্রল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের দামও পাল্লা দিয়ে বেড়েছে। ভূরাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও বিবর্তিত বৈশ্বিক বাণিজ্যিক সংকটের প্রাথমিক সংকট হিসেবেই এগুলোকে বিচার করতে হবে। ৩৩ কিলোমিটার দীর্ঘ হরমুজ প্রণালি সমুদ্রপথে পণ্য ও জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এ পথ দিয়ে দৈনিক প্রায় দুই কোটি ব্যারেল তেল এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ করা হয়। বিশ্বের সরবরাহের ২২ শতাংশ এ পথ দিয়েই পরিবহন করা হয়। অনেক দেশের জন্য এটি ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে মনে হলেও বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহের মেরুদণ্ডই বলতে হবে হরমুজ প্রণালিকে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও