কার যুদ্ধে কে জেতে কে হাসে

দেশ রূপান্তর মোস্তফা কামাল প্রকাশিত: ০৩ মার্চ ২০২৬, ১০:০০

বাতকে বাত বলা হয়ে থাকে- যুদ্ধে যারা যায়, তারা যুদ্ধ চায় না। যারা চায়, তারা যুদ্ধে যায় না। আসলে যুদ্ধ বা হামলা শুরু হয়ে গেলে তখন কে কী বলল, তাতে যুদ্ধবাজের কিচ্ছু যায় আসে না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই বলে রেখেছিলেন, ইরান কথা মতো না চললে যুক্তরাষ্ট্র এমন হামলা করবে, যা আগে কখনো দেখা যায়নি। ঠিকই ঘটনা ঘটিয়ে দিলেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যমেয়াদি নির্বাচনের প্রথম প্রাইমারিগুলোর তিন দিন আগে, ইরানে হামলা চালায় ট্রাম্প প্রশাসন। আগামী দুই বছরের জন্য ট্রাম্পের রিপাবলিকানদের কংগ্রেসে তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখবে কি না, তা নির্ধারণ করবে এ নির্বাচন।


যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল মিলে হামলা চালিয়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে গোষ্ঠীসুদ্ধ হত্যার ঘটনাকে ইরানের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার গুরুতর লঙ্ঘন বা জাতিসংঘ সনদের নীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মৌলিক নিয়মের পরিপন্থী বলে যত গাল দেওয়াই হোক, ট্রাম্প আপাতত থামছেন না, তা পরিষ্কার। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি কেবল ইসলামি প্রজাতন্ত্রের নেতৃত্বই দেননি, রাষ্ট্রটির চেহারাও ঠিক করে দিয়েছিলেন। হামলার জবাবে তেহরান দৃশ্যত চারদিকে ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্য এক নজিরবিহীন অস্থিরতার মুখে পড়েছে। চলমান এই ঝড়ের কেন্দ্রে রয়েছে ইরানের সাধারণ মানুষ। গত ডিসেম্বরে হাজার হাজার ইরানি রাস্তায় নেমে আসেন। সরকার কঠোর হাতে বিক্ষোভ দমন করে। অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়। বিক্ষোভের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন থেকে কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, ‘সাহায্য আসছ’ বলে। তবে খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের জনগণের ভবিষ্যৎ এখন আরও বেশি বিপজ্জনকভাবে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও