You have reached your daily news limit

Please log in to continue


কৃষকের কাছে কৃষির চাবি ফেরত দেবে কে

নির্বাচনের আগে টলটলে কুয়াশার ভেতর ঘুরছিলাম রূপাভুই, লামাগাঁও, বাঙ্গালভিটা, বাসাউড়া, মুঝরাই গ্রামে। রামসার জলাভূমি হিসেবে ঘোষিত সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরের ‘হাটিবান্ধা’ গ্রাম এগুলো। বসতির জন্য উঁচু জায়গা কম, বর্ষায় প্লাবিত চারধার, তাই একের পর এক ঘরগুলো জটলা বেঁধে ‘হাটিবান্ধা’ গ্রাম তৈরি হয়।

লোকায়ত স্থাপত্য এবং সামাজিক ঐক্যের এক ঐতিহাসিক নমুনা এসব গ্রাম; কিন্তু হাওরের গ্রামগুলো সব চুরমার হয়ে খসে পড়ছে। ‘বর্ষায় নাও (নৌকা), হেমন্তে পাও (পদব্রজ)’ যোগাযোগের ধারা বদলেছে। কমছে জমিন, উধাও হচ্ছে জলা। বিলগুলোও ক্রমেই বন্যার পলিতে পেট ভারী হয়ে উঁচু হয়ে উঠেছে। মাছ ধরার নামে কারেন্ট জাল, চায়না দুয়ারি, রাসায়নিক বিষ কিংবা ইলেকট্রিক শক দিয়ে মাছের বংশ বিনাশ করা হচ্ছে।

রাতা, বইয়াখাওড়ি, লাখাই, হাতিবান্ধা, সকালমুখী, সমুদ্রফেনা, কালি বোরোর মতো গভীর পানির ধানগুলোও হয়েছে নিখোঁজ। গৃহস্থের ঘর আজ বীজশূন্য। কোম্পানির হাইব্রিড বীজ, সিনথেটিক সার, বিষ আর যন্ত্র ব্যবসার কবলে বন্দী হয়েছে হাওরের কৃষি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন