You have reached your daily news limit

Please log in to continue


অর্থনীতির নিরাময়ে নতুন সরকারের অগ্রাধিকার কী হওয়া উচিত?

১৮ ফেব্রুয়ারি নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণের সুস্পষ্ট রায় কেবল ক্ষমতার পালাবদল নয়; এটি নীতিনির্ধারণের একটি নতুন সুযোগও। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার একটি জানালা খুলেছে।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, এ জানালা দিয়ে কি কেবল স্বস্তির বাতাস ঢুকবে, নাকি একটি গভীর সংস্কারের প্রক্রিয়া শুরু হবে?

বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন এমন একপর্যায়ে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে উপরের স্তরে কিছু স্থিতি দেখা গেলেও ভেতরের দুর্বলতাগুলো রয়ে গেছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কিছুটা বেড়েছে, আমদানি চাপে শিথিলতা এসেছে। কিন্তু প্রবৃদ্ধি ধীর, মূল্যস্ফীতি এখনো জেদি, বিনিয়োগকারীদের আস্থা ভঙ্গুর, আর দীর্ঘদিনের কাঠামোগত সমস্যাগুলো সমাধানহীন। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতার আগেই বেসরকারি বিনিয়োগের গতি কমছিল, উৎপাদনশীলতা হ্রাস পাচ্ছিল, রফতানি ক্রমেই একটি সংকীর্ণ খাতে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ছিল। সাম্প্রতিক ধাক্কাগুলো সেই জমে থাকা দুর্বলতাকে উন্মোচিত করেছে মাত্র। উচ্চ মূল্যস্ফীতি ভোক্তা ব্যয় কমাচ্ছে, অনিশ্চয়তা বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত করছে, আর বৈশ্বিক চাহিদা দুর্বলই রয়ে গেছে। অর্থনীতি যেন নিম্ন প্রবৃদ্ধির এক চক্রে আটকে আছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন