You have reached your daily news limit

Please log in to continue


বাখমুতে হেরে যাওয়ায় ইউক্রেনে কি রাজনৈতিক গোলমাল শুরু হচ্ছে?

রাশিয়ার ভাড়াটে সেনাদল ভাগনার গ্রুপের প্রধান ইয়েভগেনি প্রিগোশিন ২০ মে ঘোষণা দেন ইউক্রেনের বাখমুতের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে তাঁর সেনারা। তিনি আরও বলেন, ভাগনার গ্রুপ ২৫ মে রুশ সেনাবাহিনীর কাছে বাখমুতের নিয়ন্ত্রণ বুঝিয়ে দেবে এবং তাদের সেনাদের বিশ্রাম ও প্রশিক্ষণের জন্য পাঠাবে।

যুদ্ধ শুরুর আগে কৌশলগত দিক থেকে দোনেৎস্ক অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ শহর বাখমুতে ৭৫ হাজার মানুষ বসবাস করতেন। এটি ‘লবণ শহর’ নামে পরিচিত। সেখানকার মাটির নিচে বিশালাকার লবণের খনির মজুত আছে। প্রকৃতপক্ষে খনিটি সোলেদর শহরের কাছাকাছি জায়গায় অবস্থিত। গত জানুয়ারি মাসে রুশরা সোলেদরের দখল নেয়।

মদ উৎপাদনের জন্যও একসময় খ্যাতি ছিল বাখমুতের। কিন্তু রাশিয়া ক্রিমিয়া দখলে নেওয়ার পর সেখান থেকে আঙুরের সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাখমুতে ওয়াইনের ব্যবসায় ধস নামে। সড়ক ও রেল যোগাযোগের জন্যও বাখমুত গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল।

সম্প্রতি প্রকাশিত হওয়া একটা খবরে জানা যাচ্ছে, বিধ্বস্ত হয়ে যাওয়া বাখমুত শহরেও কিছু নাগরিককে দেখতে পেয়ে বিস্মিত হয়েছেন ভাগনার গ্রুপের সেনারা।

বাখমুত জয়ের পর প্রিগোশিন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের মাতৃভূমি রক্ষায় এ সুযোগ ও উঁচু সম্মান দেওয়ার জন্য ভ্লাদিমির পুতিনকে ধন্যবাদ।’ তিনি জেনারেল সের্গেই সুরোভিকিন ও মিখাইল মিজিস্টেভকেও ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তাদের কারণেই কঠিন এ অভিযান সম্ভব হয়েছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন