You have reached your daily news limit

Please log in to continue


বানের জলে ডুবেছে কৃষকের স্বপ্ন

ক’দিন আগেও ছিল তীব্র খরা। ফসল উৎপাদনে পড়েছিল বিরূপ প্রভাব। এর রেশ না কাটতেই এবার বানের জলে তলিয়েছে বিস্তীর্ণ ফসলি জমি। এতে দিশেহারা নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার বক্তাবলী ও আলীরটেকের কৃষি পরিবারগুলো।

সরেজমিনে দেখা গেছে, দক্ষিণাঞ্চলে বন্যাপরিস্থিতির কারণে দেশের প্রতিটি নদ-নদীর পানি প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় বেড়েছে ধলেশ্বরী নদীর পানিও। ফলে ধলেশ্বরী নদী বেষ্টিত বক্তাবলীর পশ্চিম কানাইনগরসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার ফসলি জমি তলিয়ে গেছে বানের পানিতে। এতে কয়েক লাখ টাকার ফসল বিনষ্টের পথে। যাদের অনেকে ঋণ করে আবাদ করেছিলেন বর্গা নেয়া জমিতে। সোনালি ফসলের আশায় যেন বুনেছিলেন সোনালি স্বপ্নও। তবে সর্বনাশা বানের জল সেই স্বপ্নকে দুঃস্বপ্নে পরিণত করেছে। এতে চাপা কান্না চলছে বক্তাবলী ও তৎসংলগ্ন আলীরটেকের কৃষকদের মাঝে।

তথ্য মতে, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কৃষিরাজ্য বলা হয় বক্তাবলী ও আলীরটেক ইউনিয়নকে। উপজেলার ৩ হাজার ৭শত ৫৮ হেক্টর জমির মধ্যে বক্তাবলী ও আলীরটেক ইউনিয়নেই অন্তত ২ হাজার হেক্টরের বেশি পরিমান কৃষি জমি রয়েছে। সেই কৃষি রাজ্যেই এবার আঘাত হেনেছে বানের জল।

কৃষকরা বলছেন, প্রতিবছর আষাঢ়ের শেষের দিকে নদীর পানি বেড়ে তা খাল হয়ে কিছুটা ফসলি জমিতে আসে। তবে বন্যার কারণে এবছর আষাঢ়ের শুরুতেই পুরো বিস্তীর্ণ ফসলি জমিতে তলিয়ে গেছে। এক মাস পড়ে হলেও এই ফসলগুলো ঘরে তোলা যেত।

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মাহমুদ হাসনাত দৈনিক সংবাদচর্চাকে বলেন, ‘নদীর পানি বেড়ে বক্তাবলীতে ও আলীরটেকের বেশ কিছু কৃষি জমিতে পানি চলে এসেছে বলে জেনেছি। সেখানে আমাদের মাঠ কর্মী রয়েছে। প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে যে, কেবল বক্তাবলীতে প্রায় ৫০ হেক্টর (১৩ হাজার ৭শত শতাংশ) কৃষি জমিতে পানি প্রবেশ করেছে।’

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন