You have reached your daily news limit

Please log in to continue


সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প

এক. আমার শৈশব-কৈশোর কেটেছে নোয়াখালীর মাইজদীতে। মাস্টারপাড়ায় আমার বড় হওয়া। আমাদের সেই পাড়ায় থাকত পাভেল, তার বোন স্বাতীদি। তাদের মা আমাদের মাসি। পাভেল আমার সঙ্গে পড়ত। ওর বাবা মানে আমাদের মেসো ছিলেন বাম-প্রগতিশীল চেতনার মানুষ। মাত্র তখন তার কাছে মার্কস, লেনিনের কথা শুনছি। হঠাৎ করে তিনি প্রয়াত হলেন। মাসি একটি ব্যাংকে চাকরি করতেন। সারা দিন পাভেল, স্বাতীদির সঙ্গে কাটত। ভাই-বোনের মতো। একসঙ্গে আমরা বড় হয়েছি। একসঙ্গে আমরা খেলেছি। একসঙ্গে গানও গেয়েছি। খেলাঘর করেছি। জীবনে প্রথম আমি একটি গান লিখেছি, সেই গানটি সুর করেছিলেন স্বাতীদি।

অন্য বন্ধুরা বলত বলে পাভেলকে ‘ড্যাডা’ বলতাম। নোয়াখালী অঞ্চলে হিন্দুদের ‘ড্যাডা’ বলে। কেন বলে জানতাম না। পরে জেনেছি এটি একটি গালি। এক দিন পাভেলকে দেখলাম কেন যেন সে দৌড়াচ্ছে। তার চোখে-মুখে ভয়। মাসিও আর সেদিন অফিসে যাননি। তাদের সবাইকে আম্মু আমাদের বাসায় নিয়ে এলো। তখন বাবরি মসজিদ ভাঙা নিয়ে সারা দেশে হইচই হয়েছে। কিন্তু আমাদের ওখানে মানুষে-মানুষে সৌহার্দ্য-সম্প্রীতি থাকার ফলে কিছু হয়নি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন