ঢাকায় মৃত্যুর পরও জায়গার লড়াই, এক কবরের বিপরীতে ‘৫৫ জন’
মাতৃগর্ভ থেকেই একটি নতুন জীবনের যুদ্ধ শুরু হয় ঢাকা শহরে। হাসপাতালে চিকিৎসকের সিরিয়াল, তারপর সি-সেকশনে ছুরি-কাঁচির নিচে আলোর মুখ দেখা। শিক্ষা-কর্মজীবনে চলে আরেক ধরনের সংগ্রাম। মাথা গোঁজার ঠাঁই হয় কারও স্থায়ী, কারও অস্থায়ী। মৃত্যুর পরও এ শহরে এক টুকরো মাটির জন্য তাকে ধরতে হয় সিরিয়াল, করতে হয় ভিন্ন ‘যুদ্ধ’।
মেগাসিটি রাজধানী ঢাকায় মানুষের শেষ আশ্রয়ের জায়গাটুকুও ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসছে। প্রতিদিন এই শহরে যোগ হচ্ছে নতুন মুখ। বসবাসের জায়গার মতো মৃত্যুর পর দাফনের চাপও বাড়ছে। মানুষ বাড়লেও সরকারি কবরস্থানের জমি বাড়ছে না। ফলে নির্ধারিত মাপের কবর দেওয়া, কবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় ফাঁকা জায়গা রাখা এবং নির্দিষ্ট সময় পর পুনর্ব্যবহার- সবকিছুই ক্রমে কঠিন হয়ে উঠছে।
বিপুল সংখ্যক মানুষের শহরে সরকারি কবরস্থান মাত্র ৯টি
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন সূত্র জানায়, দুই সিটি করপোরেশন মিলিয়ে সরকারি কবরস্থান আছে মাত্র ৯টি। ডিএনসিসির ছয়টি ও ডিএসসিসির তিনটি।
এসব কবরস্থানের মোট জমি প্রায় ২৫১ একর। দুই সিটির মোট ৩০৫ দশমিক ৪৬ বর্গকিলোমিটার আয়তনের মাত্র ০ দশমিক ৩৩ শতাংশ কবরস্থানের জন্য বরাদ্দ।