দ্বিতীয়বার ডেঙ্গু সংক্রমণ কি বাড়াবে মৃত্যু ঝুঁকি?
কয়েক সপ্তাহের টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে অনেকেরই ধারণা হয়েছে যে ডেঙ্গুর ঝুঁকি হয়তো কমে এসেছে। কারণ এ সময় তুলনামূলকভাবে মশার উপদ্রবও কিছুটা কম চোখে পড়ে। কিন্তু এই দৃশ্যমান স্বস্তি বিভ্রান্তিকর হতে পারে।
প্রকৃতপক্ষে, ভারী বৃষ্টিপাত এডিস মশার ডিম, লার্ভা ও পিউপাকে অনেক ক্ষেত্রেই ধুয়ে নিয়ে যায় অথবা সাময়িকভাবে তাদের প্রজননস্থল নষ্ট করে দেয়। ফলে বর্ষণের সময় এডিস মশার সংখ্যা কিছুটা কমে যায়। কিন্তু বৃষ্টি কমে এলে বা থেমে থেমে বৃষ্টি শুরু হলে পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যায়।
তখন বাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, এসির ট্রে, প্লাস্টিকের ড্রাম, টায়ার, নির্মাণাধীন ভবন এবং আশপাশের অসংখ্য ছোট-বড় পাত্রে পরিষ্কার পানি জমে থাকে, যা এডিস মশার বংশবিস্তারের জন্য আদর্শ পরিবেশ তৈরি করে।
সাধারণত বৃষ্টির কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এসব প্রজননস্থল থেকে বিপুল সংখ্যক এডিস মশা জন্ম নিতে শুরু করে এবং ডেঙ্গু সংক্রমণের ঝুঁকি দ্রুত বেড়ে যায়। তাই বাংলাদেশে আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর, এই তিন মাসকে ডেঙ্গুর সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ২০২৬ সালের এই মৌসুমি ঝুঁকির সঙ্গে ডেঙ্গু ভাইরাসের সেরোটাইপ পরিবর্তনের ঘটনাও যুক্ত হয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার দাবি রাখে।
- ট্যাগ:
- মতামত
- ডেঙ্গু জ্বর
- ডেঙ্গুর টিকা
- ডেঙ্গু