You have reached your daily news limit

Please log in to continue


উত্তরাঞ্চলের ৫ জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার পূর্বাভাস

উত্তরাঞ্চলীয় রংপুর বিভাগের ৫ জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

পাশাপাশি ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও গঙ্গা-পদ্মা নদ-নদীর পানি সমতল আগামী ৫ দিন পর্যন্ত বাড়তে পারে বলেও শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

শুক্রবার বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী (দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) মোস্তফা কামাল জিহানের স্বাক্ষর করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য দেওয়া হয়।

উত্তরাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি সম্পর্কে মোস্তফা কামাল জিহান বলেন, “গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে শুক্রবার একই সময় পর্যন্ত) উত্তরাঞ্চলীয় রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদ-নদীর পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে। তবে আগামী তিনদিন এসব নদীর পানি সমতল বাড়তে পারে। কিছু স্থানে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম জেলার ওসব নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।”

ব্রহ্মপুত্র ও গঙ্গা অববাহিকার পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, “গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও গঙ্গা-পদ্মা নদ নদীর পানি সমতল বেড়েছে; যা আগামী পাঁচদিন অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদী কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়া জেলার কিছু স্থানে এসব নদী সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। একইসঙ্গে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও প্লাবিত হতে পারে।

সিলেট অঞ্চলের পরিস্থিতি সম্পর্কে এই কর্মকর্তা বলেন, “বর্তমানে কুশিয়ারা নদী সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ এবং সুনামগঞ্জের মারকুলি স্টেশনে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কুশিয়ারা নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে, অপরদিকে সুরমা নদীর পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে। উভয় নদীর পানিই আগামী তিনদিন ফের বাড়তে পারে। ফলে আগামী ২৪ ঘণ্টায় সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় সুরমা-কুশিয়ারা নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি থাকতে পারে স্থিতিশীল।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন