জন্মের তিন দিনের মাথায় মা, এবার ডেঙ্গুতে বাবাকে হারাল ৯ বছরের আরফা

প্রথম আলো প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩:০৫

আরিফিন ইসলাম আরফার বয়স ৯ বছর। জন্মের পর তিন দিনের মাথায় মা মারুফা আক্তার মারা গেছেন। গত ১৮ সেপ্টেম্বর ডেঙ্গুতে মারা গেলেন বাবা তাজুল ইসলাম।


হাতে থাকা মুঠোফোনে বাবার সঙ্গে তার ছবি দেখাল আরফা। মা–বাবার বিয়ের ছবিও দেখাল। একটি কবরের পাশে তার ছোটবেলার একটি ছবি বের করে বলে, এটি মায়ের কবর। তারপর আরেকটি কবরের ছবি বের করে বলে, এটি বাবার কবর। নিজে থেকেই বলে, বাবাকে বাবার বাড়ি আর মাকে মায়ের বাড়িতে কবর দেওয়া হয়েছে।


মা–বাবার জন্য কথা বলতে বলতে প্রিয় বিড়াল ভুতুমকে কোলে নিয়ে একটু আগের মন খারাপের কথা ভুলে গেল আরফা। একটু পরেই রংপেনসিল নিয়ে বসল ছবি আঁকার জন্য।


গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর পশ্চিম রামপুরায় বাসায় বসে কথা হয় আরফার সঙ্গে। এ ভাড়া বাসায় তাজুল ইসলাম মেয়ে, এক ভাইয়ের পরিবার, বাবা ও মাকে নিয়ে থাকতেন। আর পাশেই বড় ভাই শফিকুল ইসলামের বাসা। তাজুল ইসলাম একটি মুদিদোকান চালানোর পাশাপাশি ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ডিলার ছিলেন। আরফা রাজধানীর রামপুরা একরামুন্নেছা বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ছে। বাবা ও দাদির সঙ্গে স্কুলে যেত। এখন যাচ্ছে দাদির সঙ্গে।


আরফার দাদি সখিনা বেগম ও বড় চাচা মো. শফিকুল ইসলাম বারবার বলছিলেন, দাদা, দাদি বা চাচারা আছেন। তাঁরা আরফাকে দেখবেন। কিন্তু বাবা তো বাবাই। বাবা বেঁচে থাকলে মেয়েটা যেভাবে বড় হতো, এখন চাইলেও সেটা হয়তো হবে না। এত ছোট বয়সে আরফা মা–বাবা দুজনকেই হারিয়ে ফেলল। ভবিষ্যৎটাই তো এখন অনিশ্চিত হয়ে গেল।


শফিকুল ইসলাম বলেন, স্ত্রীর মৃত্যুর পর থেকেই তাজুল ইসলাম মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। মেয়ের কথা চিন্তা করে আর বিয়ে করেননি। একই সঙ্গে তিনি আরফার মা ও বাবার ভূমিকা পালন করতেন। তবে নিজের শরীর–স্বাস্থ্য নিয়ে ছিলেন উদাসীন। নিয়ম মানতে চাইতেন না। যক্ষ্মা, করোনা, চিকুনগুনিয়া হয়েছিল। মারা গেলেন ডেঙ্গুতে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও