আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা, আপসনামায় কি থেমে যায় বিচার?
একজন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সেই মৃত্যু ঘিরে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা হয়েছে। মামলার বাদীই পরে আদালতে এসে বলেছেন, আসামিরা জামিনে মুক্তি পেলে তার বা পরিবারের কোনো আপত্তি নেই। দুই পক্ষের সম্পর্ক বজায় রাখার কথাও বলা হয়েছে। এমনকি বিচারাধীন বিষয়ে সহযোগিতার শর্তও রাখা হয়েছে আপসনামায়।
কিন্তু, একজন নাগরিকের মৃত্যুর পর আত্মহত্যায় প্ররোচনার মতো অভিযোগ কি বাদী ও আসামিপক্ষের সমঝোতায় থেমে যেতে পারে? বাদী আপস করলে তদন্তের কী হবে? আর আদালতে দেওয়া এমন আপসনামার আইনগত গুরুত্বই বা কতটুকু?
আইন অনুযায়ী, দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায় আত্মহত্যায় প্ররোচনাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এ ধারায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার জন্য সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানার বিধান রয়েছে।
অন্যদিকে, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় কোন কোন অপরাধ আপসের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা যাবে, তার তালিকা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। ওই তালিকায় দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারা নেই। একই ধারার ৭ উপধারায় বলা হয়েছে, আইন নির্ধারিত পদ্ধতি ছাড়া কোনো অপরাধ আপস করা যাবে না।
- ট্যাগ:
- বাংলাদেশ
- আপস
- আত্মহত্যার প্ররোচনা