You have reached your daily news limit

Please log in to continue


ওরা কারা এবং কেন এত মাতব্বরি

বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন নিয়ে এ দেশের রাজনৈতিক দল এবং জনগণ ছাড়াও অন্য বেশ কিছু লোকের এত বেশি আনাগোনা ও হম্বিতম্বি এখন বেশ চোখে পড়ার মতো। কিন্তু বড় প্রশ্ন হচ্ছে, ওরা কারা এবং কেন তাদের এত মাতব্বরি? এই যে, আমেরিকার রাষ্ট্রদূত পিটার হাস যেভাবে নির্বাচন নিয়ে কথা বলে চলেছেন, যেভাবে তারা নির্বাচনে অনিয়ম, জোর-জবরদস্তি কিংবা অন্যায় কিছু হলে সংশ্লিষ্টদের আমেরিকা যাওয়ার ভিসা দেবে না জানিয়ে বাংলাদেশের জন্য নতুন ভিসানীতি করেছে-এ পর্যন্ত না হয় মেনে নেওয়া যায়।

হ্যাঁ, বিশ্বে গণতন্ত্র রক্ষার জন্য অবশ্যই বড় মোড়ল হিসাবে আমেরিকার একটা দায়িত্ব রয়েছে, তারা সে দায়িত্ব পালনে যথেষ্ট সজাগ থাকবে-এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু নিজ দেশে গণতন্ত্রের জন্য যা ঘটে, নির্বাচনে যেভাবে অঘটন ঘটে, সেটা যেন তাদের বিবেচ্য নয়। এই যে ট্রাম্প-বাইডেনের গত নির্বাচনে যা ঘটে গেল, যেভাবে ক্যাপিটল হিলে লোকজন ঢুকে গেল, যেভাবে স্পিকারের আসনে কেউ হাজির হয়ে গেল-তা কিন্তু তাদের চোখে পড়ে না।

মানবাধিকার নিয়ে হামবড়াভাবে কত কথাই না তারা বলে, কিন্তু বঙ্গবন্ধু হত্যার আসামিদের আশ্রয় দেওয়া নিয়ে তাদের কোনো রা নেই। বড় হলে তাদের যেন দোষ নেই, তারা যা করে তা যেন সব সময় জায়েজ। ইরানে জিম্মি উদ্ধারে গিয়ে কার্টার বেকায়দায় পড়ার পর বরেণ্য সাংবাদিক জহুর হোসেন চৌধুরী তখন তার ‘দরবার-ই জহুর’ কলামে মজা করে লিখেছিলেন, কার্টারের অণ্ডকোষ ফাটা বাঁশে আটকাইয়া গিয়াছে। ফাটা বাঁশে ওটা আকটানোর দ্বিবিধ অসুবিধাও তিনি উল্লেখ করেছিলেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন