You have reached your daily news limit

Please log in to continue


ব্যক্তির স্বাধীনতা দলীয় অধীনতাকে ছাড়িয়ে যেতে পারে না

রাজনীতি করতে হলে জনগণের প্রয়োজন হয়, জনগণ ছাড়া রাজনীতি করা যায় না। কারণ রাজনীতি জনগণের জন্যই করা হয়, করতে হয়। জনগণের সুখ-দুঃখ, কল্যাণ-অকল্যাণ, উন্নতি-অবনতি-সবকিছু হালের রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় রাজনীতির সঙ্গে এমনভাবে জড়িয়ে গেছে যে, কেউ নিজে একা একা আর টিকে থাকতে পারেন না। প্রত্যক্ষভাবে রাজনীতি করেন না, কোনো দলেও নেই, নিজের জমিজমা, চাকরি-বাকরি একটা কিছু নিয়ে নিজে নিজে আলাদা চলবেন-সে পথও নেই। বাজারে যাবেন-দেখবেন রাজনীতির প্রভাব রয়েছে, সরকার তো রাজনীতির মাধ্যমে ক্ষমতায়।

অতএব, ওই সরকারের রাজনৈতিক নীতিতে অনুসরণীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে আপনি আটকা পড়ে গেছেন। স্কুল-মাদ্রাসায় বাচ্চা ভর্তি করাবেন-সেখানেও রাজনীতির জালে আটকাবেন, কমিটিতে কারা আছেন, তাদের রাজনৈতিক নীতি-প্রভাব থেকে আপনি মুক্তি পাবেন না। হালে দেখবেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রভাবে কট্টর আওয়ামীবিরোধী মাদ্রাসায়ও বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন সাড়ম্বরে পালিত হচ্ছে, কোনো অফিসের আঙিনায় দেখবেন রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত শেখ রাসেলের জন্মদিনের ব্যানার-পোস্টার এখনো সম্মানে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর ছবিগুলো তো অনেক স্থানেই রয়েছে, এমনকি পত্রিকার বিজ্ঞাপনেও এখনো বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর লোগো চালানো হচ্ছে। জাতির পিতার সম্মানার্থে এসব কতখানি হচ্ছে আর আওয়ামী-প্রভাব-দখলদারি বজায়ের জন্য কতখানি, এর পার্থক্য করা এখন খুব কঠিন হবে। এটা নিরূপিত হবে আওয়ামী লীগ সরকারে/ ক্ষমতায় না থাকলে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন