You have reached your daily news limit

Please log in to continue


ওএমএসের চালের জন্য ১৮ ঘণ্টা অপেক্ষা ও বেতাল রাজনীতি

এই মুহূর্তে বাংলাদেশে সংগঠিত-অসংগঠিত চারটি জনস্রোত। এর মধ্যে তিনটি স্থায়ী। একটি অস্থায়ী। অস্থায়ী জনস্রোতের কথাটিই আগে বলে নিই। বিশ্বকাপ ঘিরে পাড়ায় পাড়ায় উন্মাদনা চলছে। অনেকে আয়োজন করে বড় পর্দায় খেলা দেখছেন। পছন্দের দল জয়ী হলে উল্লসিত হন তাঁরা। পরাজিত হলে বিমর্ষ হয়ে পড়েন। বিশ্বকাপ শেষ হলে এই জনস্রোত আর থাকবে না।

বাকি তিনটি জনস্রোত স্থায়ী বলে মনে হয়। একটি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের। আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো এই জনস্রোতে শামিল হয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে তারা সম্মেলন-সমাবেশ করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছেন, এটাই আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি। তিনি নৌকা মার্কায় ভোট চাইছেন। প্রধান বিরোধী দল বিএনপিকে ঘিরে যে আরেকটি জনস্রোত আছে, তারাও সংগঠিত হচ্ছে। নানা বাধাবিঘ্ন ডিঙিয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীরা  ৮টি সমাবেশ করেছেন। আগামী ৩ ডিসেম্বর রাজশাহীতে ও ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় সমাবেশ করার কথা তাঁদের। সমাবেশের আগেই রাজশাহীতে উত্তপ্ত অবস্থা। পরিবহনমালিকেরা জানিয়েছেন, সমাবেশের আগে ধর্মঘট চলবে। নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে গায়েবি মামলারও অভিযোগ আছে। এদিকে ঢাকার সমাবেশের স্থান নিয়ে বিবাদ দেখা দিয়েছে। সরকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুমতি দিয়েছে। বিএনপি বলছে, নয়া পল্টনে দলীয় অফিসের সামনেই সমাবেশ হবে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন