You have reached your daily news limit

Please log in to continue


মধ্যরাতেও লোডশেডিং!

পঁচিশ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার দেশ বাংলাদেশে এখন মধ্যরাতেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে। কখনো রাত ২টা, কখনো ভোররাতে আচমকা বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়ছে ঢাকা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্থায়ী হচ্ছে সেই লোডশেডিং। তীব্র গরমে এ সময় চরম নাভিশ্বাস উঠছে অসহায় নারী, শিশু ও অসুস্থ মানুষের। এক ঘণ্টার কথা থাকলেও খোদ ঢাকায় এখন ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে। ঢাকার বাইরে অনেক গ্রামে এখন বিদ্যুতের দেখাই মেলে না।

দিনে-রাতে ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টাও লোডশেডিং করা হয় বেশিরভাগ গ্রামাঞ্চলে। বিদ্যুৎ না থাকায় চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে কৃষকের সেচ কার্যক্রম। সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, বিদ্যুতের এই লোডশেডিং নিয়ে কেউ কথা রাখেননি। উপদেষ্টা, প্রতিমন্ত্রী, সচিব কারও কথায় মিল নেই লোডশেডিং নিয়ে। সর্বত্রই শিডিউল বিপর্যয়।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ নভেম্বর পর্যন্ত ধৈর্য ধরতে বলেছেন দেশবাসীকে। নভেম্বরের পর পরিস্থিতি কিছুটা সহনীয় হতে পারে বলে তিনি আশ্বস্ত করেছেন। তার মতে, গ্যাস সংকটের কারণে অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে আছে। লোড বেশি হওয়ায় তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ২৪ ঘণ্টা চালানো যাচ্ছে না। যখন ওই কেন্দ্রগুলো বন্ধ থাকে বাধ্য হয়ে তখন লোডশেডিং করতে হয়। তিনি বলেন, অক্টোবর থেকে লোডশেডিং না করার সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে পারিনি। কারণ আমরা গ্যাস আনতে পারিনি। তিনি আশা করছেন আগামী মাস থেকে পরিস্থিতি কিছুটা সহনীয় হতে পারে। তিনি এই সময়ের জন্য দেশবাসীকে ধৈর্য ধরারও আহ্বান জানিয়েছেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন