You have reached your daily news limit

Please log in to continue


কিন্তু হায়, গেজেট হয়ে গেছে!

শুরুতেই বলব, এ লেখাটা একটা ‘তেলমারা’ লেখা হলো কি না, সেটা পুরো লেখাটা পড়ার পর পাঠক বিবেচনা করে দেখবেন। তবে যারা আমার আগের লেখাগুলো অথবা আমার বইগুলো পড়েছেন, তারা অন্তত এটুকু তো স্বীকার করবেন, আমি যখন প্রশংসা করি, তা অনেক ভেবেচিন্তে যথার্থ ভিত্তি থাকার কারণেই করি। একইভাবে কারও অপছন্দনীয় হলেও আমি যখন সমালোচনা করি, তা-ও যথাযথ বিবেচনাতেই করে থাকি। হালে কিন্তু সমালোচনা করা নাকি নানা কারণে কঠিন হয়ে যাচ্ছে, যা আমিও বোধকরি টের পাচ্ছি। প্রশংসাকেও যদি কেউ কটুবাক্য ভেবে বসে, তবে তারও কপাল পুড়বে, আইনের আওতায় নাকি মামলা হয়ে যাবে। এখন আবার নাকি কী সব ডিজিটাল-ফিজিটাল, নিরাপত্তা-টিরাপত্তা আইন হয়েছে, যা দিয়ে নাকি হেনস্তা করা খুব সহজ।

যাকগে, তারপরও সপ্তাহখানেকের তাগিদ থেকে দুবছর পর কলামটা লিখছি। করোনায় মৃত্যু দেখে যুগান্তরে ‘করোনা ডরোনা’ শীর্ষক লেখাটি লিখলেও আমারও যৎসামান্য চিন্তা হয়েছিল যে, মরে যাওয়ার আগে আত্মজীবনীটা অন্তত লিখে ফেলি। তাই কলাম লেখা বন্ধ করে তাড়াহুড়ো করে নিজের আত্মজীবনী ‘ডোমুরুয়া থেকে সচিবালয়’ লিখে এবং তা প্রকাশ করে সময়টা কাজে লাগালাম। ভাবছিলাম, পত্রিকায় আর লিখে কী হবে, ভিন্নভাবে সময় কাটাই। সরকারি চাকরিতে আমার অনুভূতি সিরিজের বইগুলো এবং ‘তত্ত্বাবধায়ক আমল : কিছু রাজনীতি কিছু বাজনীতি’ একখণ্ডে প্রকাশ করি। সেভাবে অগ্রসরও হচ্ছিলাম, কিন্তু পদ্মা সেতুর নামকরণের গেজেট প্রকাশের পর বড় একটা অস্বস্তিতে পড়ে গেলাম যেন-কেন পদ্মা সেতুর নাম শেখ হাসিনার নামে হলো না।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন