জাতীয় সংসদের পরবর্তী নির্বাচন ক্রমেই নিকটবর্তী হচ্ছে। নির্বাচন সম্পর্কিত নানা বিষয়ে আলাপ-আলোচনা ক্রমেই জোরদার হচ্ছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি নেতারা এর মধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী নির্বাচন নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হতে হবে। অন্যথায় তাঁরা সেই নির্বাচনে অংশ নেবেন না। বিএনপির এই ঘোষণার সঙ্গে একমত প্রকাশ করেছেন আরো কিছু রাজনৈতিক দলের নেতারা। এদিকে নির্বাচন কমিশন গঠনে সংবিধান অনুযায়ী দ্রুত আইন প্রণয়নের দাবিও উঠেছে। এ ব্যাপারে উচ্চ আদালতে একটি রিটও করা হয়েছে। এদিকে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্বাচন হবে সংবিধান অনুযায়ী। কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রশ্নই ওঠে না। এমন অবস্থায় নির্বাচন যত নিকটবর্তী হবে, তত বেশি সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি সৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে। অতীতের অনেক নির্বাচনেই এমন পরিস্থিতি দেখা গেছে। তখন জাতিসংঘসহ অনেক দেশের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের প্রধান পক্ষগুলোর মধ্যে সমঝোতা সৃষ্টির লক্ষ্যে আলাপ-আলোচনা করেছে। এমন এক প্রেক্ষাপটে ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন বলেছেন, বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন কেমন হওয়া উচিত তা বিদেশিরা বলে দেবে না। বাংলাদেশের নির্বাচন পরিচালিত হবে দেশের সংবিধান, প্রচলিত বিধি-বিধান ও অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে। গত বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে কূটনৈতিক সংবাদদাতাদের সংগঠন ডিকাব আয়োজিত ‘ডিকাব টক’ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
You have reached your daily news limit
Please log in to continue
অবাধ, সুষ্ঠু ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হোক
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন