নীতির সঙ্গে নৈতিকতা সম্পর্কিত। যা মান্য তাই নীতি। নীতির কাজ মূল্যবোধ নির্ধারণ করা, আদর্শের মানদণ্ড নির্ণয় করা। আর নৈতিকতা হলো নীতির বাহ্যিক রূপ। নৈতিকতা নীতিকে প্রতিষ্ঠিত করে। নীতির স্থান কেবল ব্যক্তির চিন্তা-চেতনায়, বিবেকে, মগজে। আর নৈতিকতা শোভা পায় ব্যক্তির আচার-আচরণে, কাজকর্মে। তাহলে এ কথা বলা যায় যে আমরা যা বলি, যে কাজ করি, যে ভাবাদর্শ মানি, তা আমাদের ভেতরকার লালনকৃত নীতি-নৈতিকতারই প্রতিচ্ছবি। এখন প্রশ্ন আসতে পারে, বাহ্যিক দৃষ্টিতে সব সময় ধরা না পড়লেও আমরা প্রত্যেকেই তো কোনো না কোনো মতাদর্শ অন্তরে ধারণ করে থাকি এবং সেই মোতাবেক জীবন পরিচালনা করি। তাহলে প্রত্যেকেই কি আমরা নীতিমানের কাতারে পড়ি? কিন্তু তা তো নয়! তাহলে তো সমাজে আর কোনো মিথ্যা, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, সুদ, ঘুষ, অন্যায়, অবিচারের স্থান থাকত না।
You have reached your daily news limit
Please log in to continue
আমরা কি নীতিমানের কাতারে পড়ি?
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন