You have reached your daily news limit

Please log in to continue


বেড়েছে মূল্যস্ফীতি

উন্নয়নের মহাসড়ক ধরে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। এই উন্নয়ন অভিযাত্রায় বড় বড় বাধা মূল্যস্ফীতি। গণমাধ্যমে প্রকাশিত পরিসংখ্যান বিভাগের এক প্রতিবেদনে দেখা যায় গত জানুয়ারির তুলনায় ফেব্রুয়ারিতে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় পর্যায়ে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৫.৩২ শতাংশ, যা জানুয়ারিতে ছিল ৫.০২ শতাংশ। ২০২০ সালের মার্চ থেকে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এক বছরের চলন্ত গড় মূল্যস্ফীতির হার হয়েছে ৫.৬৩ শতাংশ। আগের বছর অর্থাৎ ২০১৯ সালের মার্চ থেকে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই হার ছিল ৫.৬০ শতাংশ। সোজা হিসেবে বাজারে জিনিসের দাম বেড়েছে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা সাধারণ ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরেও চলে গেছে। মূল্যস্ফীতি বাজারকে নতুন করে ঊর্ধ্বমুখী করছে। ২০২০ সালের বেশির ভাগ সময় খাদ্যমূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় থাকায় গড় মূল্যস্ফীতি দাঁড়ায় ৫.৬৯ শতাংশে, যা ছিল গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

মূল্যস্ফীতি রোধে সরকারকে সবার আগে বাজার নিয়ন্ত্রণে মনোযোগ দিতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। বিশেষ করে যখন রোজার মাস আসছে। রমজানে ভোগ্যপণ্যের বাজার অসহনীয় হয়ে পড়ে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যায়। এই সুযোগে ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিলে বাজারে একটা অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়। বাজারে পণ্যমূল্য বৃদ্ধির কারণটিও স্পষ্ট। আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাবের পাশাপাশি অতিরিক্ত মজুদকরণের মাধ্যমে বাজারে পণ্যদ্রব্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অপর্যাপ্ত ও সমন্বয়হীন বাজার মনিটরিং, পরিবহন খাতে চাঁদাবাজি এবং অতিরিক্ত পরিবহন ব্যয় প্রভৃতি কারণে প্রতিবছর পবিত্র রমজান মাসের আগে দ্রব্যমূল্য বেড়ে যায়। এটা প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োজন নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ, যা আমাদের এখানে হয় না।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন