গত এক দশক ধরেই বাংলাদেশের অর্থনীতির গতিবিধি নির্ধারণে জিডিপির প্রবৃদ্ধির বিষয়টি মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে। তা সত্ত্বেও বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সিপিডি (সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ) কয় বছর থেকেই জোর দিয়েই বলে আসছে, জিডিপির প্রবৃদ্ধির হারের গুণগত ও বিতরণ সম্পর্কিত বিষয়গুলো (কোয়ালিটেটিভ ও ডিস্ট্রিউটিভ আসপেক্টস) প্রবৃদ্ধি-অঙ্কের চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাই আজকে আমরা যেভাবে জিডিপির হার নির্ধারণ করছি, তার প্রয়োজনীয় সংস্কার প্রয়োজন। নইলে আমরা বিশ্বাসযোগ্য একটি প্রবৃদ্ধি হার নির্ধারণ করতে পারব না।
এ দিকে কোভিড-১৯ মহামারীর প্রেক্ষাপটে বিশ্বাসযোগ্য জিডিপি হার নির্ধারণের বিষয়টি আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কারণ এমন একটি কঠিন সময়ে অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারকদের জন্য জিডিপির প্রবৃদ্ধি-হারের একটা বড় ধরনের প্রভাব রয়েছে। দেখা গেছে, কয়েক বছর ধরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি হার নিয়ে একটি সাংবাৎসরিক বিতর্ক চলে আসছে। যারা বিতর্ক তুলছেন তারা বলছেন- সরকার ঘোষিত প্রবৃদ্ধি হারের সাথে বেশ কিছু সামষ্টিক অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন পরিস্থিতি বা সূচক সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। যেমন বেসরকারি খাতের ঋণ, রাজস্ব সঞ্চালন, মূলধনী যন্ত্রপাতির আমদানি ব্যয় পরিশোধ, জ্বালানি ভোগ, আমদানি আয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ অনেক ক্ষেত্রের পরিস্থিতির সাথে সরকারঘোষিত প্রবৃদ্ধি হারের মিল নেই। সম্প্রতি সরকারের পরিসংখ্যান ব্যুরো বিগত অর্থবছরের জন্য যে জিডিপি হার ঘোষণা করেছে, তা নিয়ে এবারো আগের বিতর্কেরই পুনরাবৃত্তি ঘটতে দেখা গেছে।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.