কোভিড-১৯ বদলে দিয়েছে আমাদের চিন্তা চেতনা। আমাদের পুরোনো ভাবনাগুলোকে তাই নতুন করে সাজাচ্ছি। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাতে নিরাপদ থাকে সে চিন্তা আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করছে বদলে দিতে, বদলে যেতে। আর তাই পরিকল্পনায় আমাদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা হয়ে উঠছে কেন্দ্রবিন্দু। একটি দুর্যোগ আসতে পারে- ২০০১ সালের দিকে এমন একটি অনুমান অনেকে করেছিলেন। বিশেষ করে ৯/১১ এর পর বায়োটেরোরিজমের দুশ্চিন্তা যুক্তরাষ্ট্রসহ উন্নত দেশগুলোকে ভাবনায় ফেলে দেয়।
গবেষকরা তখন উপায় অনুসন্ধান শুরু করেন এবং সেই মোতাবেক পরিকল্পনা করেন মহামারি মোকাবেলার। সেখানে নীতিদার্শনিকরাও লিখেছেন কিভাবে একটি ভেন্টিলেটার হাসপাতালে আগত অসংখ্য রোগীদের মাঝে বিতরণ করবেন। অপ্রতুল আইসিইউ বেড যেখানে, সেখানে ডাক্তার কোন রোগীকে অগ্রাধিকার দেবেন ইত্যাদি। সম্ভাব্য বিপদের কথা চিন্তা করে একটি পরিকল্পনা/রূপরেখা যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও যুক্তরাজ্য করেছিল। কিন্তু সেসব পরিকল্পনা বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশগুলোকে অনুপ্রাণিত করেছিল বলে প্রতীয়মান হয় না।
সে যাই হোক, এখন আমাদের পরিকল্পনাবিদরা কিভাবে কোভিড-১৯ উত্তর অর্থনীতি ও সমাজ ব্যবস্থা নির্মাণ করা যায় তা নিয়ে ভাবছেন। আর তারই অংশ হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘরে ফেরা কর্মসূচিকে নির্বাচন করেছেন। এর মাঝে আমাদের ভাবনা আরও প্রসারিত হয়েছে। সরকার এখন ৭ হাজার কোটি টাকা নিয়ে যারা গ্রামে ফিরে গেছে সেই তরুণদের গ্রামে উদ্যোক্তা হিসাবে দেখতে পরিকল্পনা করছেন। এরকম একটি পরিকল্পনা আরও অনেক আগেই আমাদের নেয়া প্রয়োজন ছিল। আমার মতে, গ্রাম হবে শহর-স্বপ্নর বাস্তবায়নে এই পরিকল্পনা পরিপূরক।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.