ছবি সংগৃহীত
"বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান" সোমপুর মহাবিহার
প্রকাশিত: ০৭ মে ২০১৩, ০৮:২৪
আপডেট: ০৭ মে ২০১৩, ০৮:২৪
আপডেট: ০৭ মে ২০১৩, ০৮:২৪
পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার নওগাঁ জেলার বাদলগাছী উপজেলার পাহাড়পুর নামক গ্রামে অবস্থিত। পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারের দূরত্ব নওগাঁ জেলা সদর থেকে ৩২ কিলোমিটার। এই বিহার জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ভাবে ব্যাপক পরিচিত। পরিপাটি এই বিহারের আশেপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে অনেক প্রাচীন নিদর্শন। বিহারের মূল ভবনে ১৭৭ টি কক্ষ ছিল এবং এখানে প্রায় ৮০০ জন বৌদ্ধ ভিক্ষু বসবাস করতে পারতেন। এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম বৌদ্ধ বিহার। ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এই বিহারকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান (World Heritage Site) এর মর্যাদা দেয়। ইউনেস্কো ঘোষিত তালিকায় এই পাহাড়পুর বিহারকে ৩২২তম বিশ্ব ঐতিহ্যের স্মারক হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

পাহাড়পুর জাদুঘরঃ
পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারের পাশে জাদুঘরটি অবস্থিত। জাদুঘরের তিনটি গ্যালারীতে পাহাড়পুর থেকে সংগ্রহীত পুরাকীর্তি প্রদর্শন করা হয়। কাঁচের তৈরি সো-কেস এ খুব সুন্দর ভাবে নিদর্শন গুলি সাজানো আছে। জাদুঘরের নিদর্শনের গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল কৃষ্ণ পাথরের বিষ্ণুর খণ্ডাংশ,কৃষ্ণ পাথরের দন্ডায়মান গণেশ,বেলে পাথরের কীর্তি মূর্তি, লাল পাথরের দন্ডায়মান শীতলা মূর্তি,দুবলহাটির মহারাণীর তৈলচিত্র,হরগৌরীর ক্ষতিগ্রস্ত মূর্তি, বেলে পাথরের চামুন্ডা মূর্তি, কৃষ্ণ পাথরের লক্ষ্ণী নারায়নের ভগ্ন মূর্তি,কৃষ্ণ পাথরের উমা মূর্তি,বেলে পাথরের গৌরী মূর্তি,বেলে পাথরের বিষ্ণু মূর্তি,নন্দী মূর্তি,কৃষ্ণ পাথরের বিষ্ণু মূর্তি,সূর্য মূর্তি, কৃষ্ণ পাথরের দন্ডায়মান গণেশ,কৃষ্ণ পাথরের শিবলিঙ্গ,বেলে পাথরের মনসা মূর্তি। জাদুঘরটি রবিবার এবং সব সরকারী ছুটির দিনে বন্ধ থাকে।
আরও দেখুনঃ
হাতে সময় নিয়ে গিয়ে থাকলে কুসুম্বা মসজিদ দেখতে ভুলবেন না। মান্দা উপজেলার নওগাঁ-রাজশাহী সড়কের ধারে অবস্থিত। জেলা সদর হতে দূরত্ব ৩৩ কি: মিঃ। সড়কপথে যে কোনো যানবাহনে যাওয়া যায়। ১৫৫৮ খ্রিস্টাব্দে প্রথম গিয়াস উদ্দিন শাহ এর রাজত্বকালে জনৈক সোলায়মান ধুসর পাথর দ্বারা মসজিদটি নির্মাণ করেন। বর্তমানে পুরাতন ৫/- টাকার নোটে কুসুম্বা মসজিদের ছবি ছাপা আছে। বিশ্বকবির স্মৃতিবিজড়িত পতিসর কুঠিবাড়ী একবার ঢু মেরে আসুন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি বিজড়িত পতিসর কুঠিবাড়ী, যা আত্রাই উপজেলায় অবস্থিত। জেলা সদর হতে দূরত্ব ৪৮ কিঃ মিঃ। সড়কপথে যে কোনো যানবাহনে যাওয়া যায়। এছাড়াও আরও দেখতে পারেন জবাই বিল, ভিমের পান্টি, বলিহার রাজবাড়ী, জগদ্দল বিহার, হলুদ বিহার, দুবলহাটি রাজবাড়ী।
যাতায়াতঃ
ঢাকা থেকে সড়ক পথে খুব সহজেই নওগাঁ যাওয়া যায়। রাজধানীর কল্যাণপুর, গাবতলী ও মহাখালী বাস-স্ট্যান্ড থেকে প্রতি ১ ঘন্টা পর পর বাস ছাড়ে। এস.আর, শ্যামলী, টি.আর, হানিফ, বাবলু, শাহ্ সুলতান সহ আরো অনেক পরিবহন সংস্থার বাস চলাচল করে এই রুটে। ট্রেনে গেলে কমলাপুর থেকে সকাল ৮.৩০ মিনিটে নীলসাগর এক্সপ্রেসে উঠতে পারেন। এছাড়াও রংপুর এক্সপ্রেস ও লালমনি এক্সপ্রেস নামের দুটো ট্রেন ছাড়ে কমলাপুর থেকে। লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেন শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন রাত ১০.২০ মিনিটে এবং রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনটি রবিবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৯.০০ মিনিটে ঢাকা থেকে ছেড়ে যায়। ট্রেন থেকে সান্তাহার রেলস্টেশনে নামতে হবে। সান্তাহার নেমে ৮ কিলোমিটার উত্তরে গেলে নওগাঁ শহরে পৌছতে পারবেন। নওগাঁ বালুডাংগা বাস টার্মিনাল হতে সরাসরি বাসযোগে ঐতিহাসিক পাহাড়পুরে যাওয়া যায় |

১ ঘণ্টা, ৩ মিনিট আগে
১ ঘণ্টা, ৪ মিনিট আগে
১ ঘণ্টা, ৫ মিনিট আগে
১ ঘণ্টা, ৫ মিনিট আগে
১ ঘণ্টা, ৫ মিনিট আগে
১ ঘণ্টা, ৬ মিনিট আগে
১ ঘণ্টা, ৮ মিনিট আগে
২ ঘণ্টা, ৬ মিনিট আগে
৫ ঘণ্টা, ২২ মিনিট আগে
৭ ঘণ্টা, ১০ মিনিট আগে
৮ ঘণ্টা, ২ মিনিট আগে
১০ ঘণ্টা, ২ মিনিট আগে
১০ ঘণ্টা, ৫ মিনিট আগে