মুখোশের আড়ালে মানুষ

www.ajkerpatrika.com চিররঞ্জন সরকার প্রকাশিত: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১০

আমাদের সমাজে মুখোশ এখন আর লুকানোর জিনিস নয়, দেখানোর জিনিস। কে কেমন মানুষ, সেটি জানার চেয়ে কে কেমন মানুষ সেজেছেন, সেটিই যেন বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বাস্তবজীবনে মন খারাপ, ফেসবুকে হাসি; পকেটে টাকা নেই, কিন্তু রেস্তোরাঁয় ছবি; সংসারে আগুন, স্ট্যাটাসে ‘আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ অনেক ভালো রেখেছেন’। মনে হয়, আমাদের জীবনে সুখ কমেনি, শুধু তার ক্যামেরা-অ্যাঙ্গেল বদলেছে।


আগে মানুষ আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে মুখ ঠিক করত। এখন আয়নার চেয়ে মোবাইল ক্যামেরার গুরুত্ব বেশি। কারণ, আয়না সত্য দেখায়, ক্যামেরা চাইলে গল্প বানিয়ে দেয়। ফিল্টার দিয়ে চেহারা বদলানো যায়, ক্যাপশন দিয়ে চরিত্রও। কেউ দান করলেন, সঙ্গে সঙ্গে ছবি। গরিবের হাতে টাকা দেওয়ার চেয়ে ক্যামেরার সামনে দেওয়াটাই যেন বেশি জরুরি। মানবিকতা এখন অনেক সময় কাজ নয়, কনটেন্ট। সাহায্যের হাত বাড়ানোর আগে কেউ কেউ নিশ্চিত হন, ফ্রেমে হাতটা ঠিকমতো এসেছে কি না।


মুখোশ অবশ্য নতুন নয়। রাজদরবারে ছিল, জমিদারবাড়িতে ছিল, অফিসে ছিল, পাড়ার আড্ডাতেও ছিল। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম তাকে গণতান্ত্রিক করেছে। এখন মুখোশের অধিকার সবার। কেউ সফলতার মুখোশ পরেন, কেউ সুখের, কেউ জ্ঞানের, কেউ দেশপ্রেমের, কেউ ধর্মভীরুতার। সবচেয়ে জনপ্রিয় মুখোশটির নাম সম্ভবত ‘আমি খুব ব্যস্ত’। মানুষটি সারা দিন কিছু না করেও এত ব্যস্ত যে নিজের অলসতার খবর দেওয়ার সময়ও তার নেই।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও