অসুখের চেয়ে চিকিৎসাই যখন বড় বিপদ

জাগো নিউজ ২৪ ড. হারুন রশীদ প্রকাশিত: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪৫

হাসপাতালের দরজায় একজন মানুষ যখন প্রবেশ করেন, তাঁর সঙ্গে থাকে একটি প্রত্যাশা—চিকিৎসা নিয়ে তিনি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবেন। সেই মানুষটি হয়তো বহু কষ্টে অর্থ জোগাড় করেছেন, পরিবারের সঞ্চয় ভেঙেছেন, ধার করেছেন, কিংবা শেষ সম্বলটুকু বিক্রি করেছেন। তাঁর কাছে হাসপাতাল কেবল একটি ভবন নয়; এটি শেষ আশ্রয়। চিকিৎসকের সাদা অ্যাপ্রন, নার্সের সেবা, ওষুধের নাম, পরীক্ষার রিপোর্ট—সবকিছুর ওপর তিনি আস্থা রাখেন।


কিন্তু সেই আস্থার জায়গাতেই যদি ভুল ওষুধ, ভুল রোগ নির্ণয়, হাসপাতাল-সংক্রমণ, অস্ত্রোপচারের ত্রুটি, রোগীর পরিচয় শনাক্তে ভুল, চিকিৎসা-তথ্য আদান-প্রদানে ঘাটতি কিংবা ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা তৈরি হয়, তাহলে হাসপাতালই কখনো কখনো রোগীর জন্য নতুন ঝুঁকির জায়গা হয়ে উঠতে পারে।


১৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব রোগী নিরাপত্তা দিবস। দিবসটি তাই নিছক আনুষ্ঠানিক কোনো স্বাস্থ্য দিবস নয়। এটি আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থার এক অস্বস্তিকর কিন্তু জরুরি প্রশ্নের সামনে দাঁড় করায়—চিকিৎসা নিতে গিয়ে একজন রোগী আসলে কতটা নিরাপদ?


মানুষ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে আসবে—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু অসুখের চিকিৎসা নিতে এসে যেন চিকিৎসাব্যবস্থাই তার জন্য নতুন বিপদ হয়ে না দাঁড়ায়—এই নিশ্চয়তাই হওয়া উচিত একটি মানবিক, দায়িত্বশীল ও আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার প্রথম শর্ত।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের সময় রোগীর অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষতি বিশ্বজুড়ে একটি বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে এই ক্ষতির বোঝা তুলনামূলকভাবে বেশি। উদ্বেগের বিষয় হলো, এসব ক্ষতির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ প্রতিরোধযোগ্য। অর্থাৎ রোগীর যে ক্ষতি হচ্ছে, তার সবটাই রোগের অনিবার্য পরিণতি নয়; কিছু ক্ষতি এমন, যা সঠিক ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তাবিধি ও সতর্কতার মাধ্যমে এড়ানো সম্ভব।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও