শিক্ষাব্যবস্থার দীনতা থেকে মুক্তি কবে মিলবে

www.ajkerpatrika.com মাছুম বিল্লাহ প্রকাশিত: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৩

১৯৬২ সালের এই দিনে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর চাপিয়ে দেওয়া শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে শহীদ হয়েছিলেন ওয়াজিউল্লাহ, গোলাম মোস্তফা, বাবুলসহ অনেকে। আহত হন ৭৩ জন এবং ৫৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের স্মরণে প্রতিবছরের ১৭ সেপ্টেম্বর দিনটি ‘শিক্ষা দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। তবে সরকারিভাবে দিনটি তেমন গুরুত্ব পায়নি কখনো। তৎকালীন স্বৈরশাসক আইয়ুব খান ক্ষমতা দখলের দুই মাসের মাথায় ১৯৫৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর এস এম শরীফের নেতৃত্বে গঠন করেন একটি ‘শিক্ষা কমিশন’, যা শরীফ কমিশন নামে পরিচিত। ১৯৫৯ সালের ২৬ আগস্ট কমিশনের পেশ করা প্রতিবেদনের প্রস্তাবনাগুলো ছিল শিক্ষা সংকোচনের পক্ষে। শিক্ষার উন্নয়নের জন্য এই কমিশনের অর্থসংস্থান সম্পর্কিত প্রস্তাব ও মন্তব্য ছিল—শিক্ষা সস্তায় পাওয়া সম্ভব নয়। শরীফ কমিশনের যে সুপারিশ ’৬২ সালের ছাত্র আন্দোলনকে তীব্রতর করে ও আশু কারণ হিসেবে দেখা দেয়, তা হলো দুই বছর মেয়াদি স্নাতক ডিগ্রি কোর্সকে তিন বছর মেয়াদি করার সুপারিশ।



প্রস্তাবিত প্রতিবেদনে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে বেতন বর্ধিত করার প্রস্তাব ছিল। ২৭ অধ্যায়ে বিভক্ত শরীফ কমিশনের ওই প্রতিবেদনে প্রাথমিক স্তর থেকে উচ্চতর স্তর পর্যন্ত নানা বিষয় নিয়ে সুপারিশ পেশ করে। আইয়ুব সরকার এ রিপোর্টের সুপারিশ গ্রহণ করে তা ১৯৬২ সাল থেকে বাস্তবায়ন করতে শুরু করে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও