ঋণের বাড়তি বোঝায় উন্নয়নশীল দেশ

bonikbarta.com ড. ফাহমিদা খাতুন প্রকাশিত: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৫

বর্তমান ঋণ চাপের পেছনে একাধিক সংকট একসঙ্গে কাজ করেছে। মহামারীর সময় অনেক দেশের ঋণ আগে থেকেই বেশি ছিল। এরপর স্বাস্থ্যসেবা, মানুষের আয় সহায়তা এবং অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে তাদের আরো ঋণ নিতে হয়।


২০০৮-০৯ সালের বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের পর এক দশকেরও বেশি সময় ধরে উন্নত দেশগুলো সম্প্রসারণমূলক মুদ্রানীতি অনুসরণ করে বাজারে প্রচুর অর্থের জোগান দিয়েছিল। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে সুদের হার ছিল খুবই কম এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোও কম খরচে ঋণ নিতে পেরেছিল। এ ঋণ তারা অবকাঠামো নির্মাণ, সামাজিক কর্মসূচি এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলায় ব্যবহার করেছে।


কিন্তু করোনা মহামারী ও ইউক্রেন যুদ্ধের পর সস্তা ঋণের সেই সময় শেষ হয়ে যায়। বিশ্ববাজারে বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়ে মূল্যস্ফীতি তীব্র হয়। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ২০২১-২২ সালের দিকে বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্রুত সুদের হার বাড়ায়। ২০২৩-২৫ সময়ে বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও অনেক দেশে তা লক্ষ্যমাত্রার ওপরে ছিল। ২০২৬ সালে জ্বালানির উচ্চ মূল্য ও ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা আবারো মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়াচ্ছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও