বাংলাদেশে অপটোমেট্রি পেশায় সম্ভাবনা ও সীমাবদ্ধতা

যুগান্তর ডা. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন প্রকাশিত: ০৬ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৬

বাংলাদেশে চোখের রোগ ও দৃষ্টিজনিত সমস্যা একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য সমস্যা। জনসংখ্যা বৃদ্ধি, ডায়াবেটিসের প্রকোপ, বয়সজনিত চোখের সমস্যা, শিশুদের দৃষ্টিত্রুটি এবং গ্রামীণ অঞ্চলে বিশেষজ্ঞ চক্ষু চিকিৎসকের সীমিত প্রাপ্যতা-সব মিলিয়ে দেশে প্রাথমিক চক্ষুসেবার চাহিদা দিনদিন বাড়ছে। এ প্রেক্ষাপটে অপটোমেট্রি একটি সহায়ক চক্ষুসেবা পেশা হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এ পেশার সঠিক বিকাশের জন্য এখনই প্রয়োজন কঠোর নীতিমালা, সরকারি নিয়ন্ত্রণ, মানসম্মত শিক্ষা, লাইসেন্সিং পরীক্ষা এবং রোগীর অধিকার রক্ষায় একটি শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক সংস্থা।


অপটোমেট্রিস্ট ও অপথালমোলজিস্ট : বাংলাদেশে অপটোমেট্রি পেশার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অপটোমেট্রিস্ট ও অপথালমোলজিস্টের মধ্যে পরিষ্কার সীমারেখা তৈরি করা। সাধারণ মানুষ অনেক সময় চোখের চিকিৎসক, চশমার দোকানের কর্মী, অপটিশিয়ান, অপটোমেট্রিস্ট এবং অপথালমোলজিস্টের পার্থক্য বুঝতে পারেন না। এ বিভ্রান্তি রোগীর জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। অপথালমোলজিস্ট হলেন এমবিবিএস-পরবর্তী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, যিনি চোখের রোগের পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা করেন। তিনি গ্লুকোমা, ছানি, ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি, রেটিনাল ডিটাচমেন্ট, ইউভাইটিস, চোখের আঘাত, শিশুদের চোখের জটিল রোগ, অপটিক নার্ভের রোগ, চোখের টিউমার এবং অন্যান্য গুরুতর রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা করতে পারেন। প্রয়োজন হলে তিনি অস্ত্রোপচার করেন। অপটোমেট্রিস্টের ভূমিকা হওয়া উচিত ভিন্ন ও সীমিত। তারা দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা করবেন, রিফ্র্যাকশন করবেন, চশমা বা কনটাক্ট লেন্সের প্রেসক্রিপশন দেবেন, চোখের প্রাথমিক স্ক্রিনিং করবেন এবং কোনো রোগের সন্দেহ হলে দ্রুত চক্ষু বিশেষজ্ঞের কাছে রেফার করবেন। তারা চক্ষু বিশেষজ্ঞের বিকল্প নন, বরং চক্ষুসেবার একটি সহায়ক পেশাজীবী।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও