প্রকৃতির প্রতিশোধ থেকে কি রেয়াত মেলে

www.ajkerpatrika.com আজাদুর রহমান চন্দন প্রকাশিত: ০৬ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৪

অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে গ্রেট ব্রিটেনে বাষ্পীয় ইঞ্জিন উদ্ভাবন আর বস্ত্রশিল্পে নতুন প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে যে শিল্পবিপ্লবের সূচনা, সেটি মানুষের হস্তচালিত উৎপাদনব্যবস্থাকে যন্ত্রভিত্তিক ও বৃহদায়তন কারখানায় রূপান্তরিত করে। এই রূপান্তরে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনে বিশ্ব অর্থনীতি, সমাজ ও প্রযুক্তিতে। সেই সঙ্গে পরিবর্তনের সূচনা হয় প্রকৃতি, পরিবেশ ও জলবায়ুতেও।


তবে অর্থনীতি, সমাজ ও প্রযুক্তিতে পরিবর্তনটা যত দ্রুত হয়, সেই তুলনায় প্রকৃতি-পরিবেশের পরিবর্তন হয় অনেক ধীরগতিতে। বাষ্পীয় ইঞ্জিনের পর আসে জ্বালানি তেলচালিত ইঞ্জিন আর জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, তেল ও গ্যাস) পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পালা। এরপর ধাপে ধাপে গোড়াপত্তন হয় এয়ারকন্ডিশনার, রেফ্রিজারেটর, অ্যারোসল ও ফোমশিল্পের।


বিদ্যুৎ উৎপাদন, কারখানা ও যানবাহনে কয়লা, পেট্রল ও প্রাকৃতিক গ্যাস পোড়ানোর ফলে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গত হয় বায়ুমণ্ডলে। কলকারখানা, আবাসন ও কৃষি উৎপাদনের প্রসারের জন্য বন নিধন শুরু করায়ও বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেড়ে যায়। ধানখেত ও গবাদিপশুর পরিপাকতন্ত্র থেকে উৎপন্ন হয় প্রচুর পরিমাণে মিথেন গ্যাস। এ ছাড়া জমিতে অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহারের ফলে তৈরি হয় নাইট্রাস অক্সাইড। বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন ও নাইট্রাস অক্সাইডের মতো ‘গ্রিনহাউস গ্যাস’-এর মাত্রা বৃদ্ধিই গ্লোবাল ওয়ার্মিং তথা বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রধান কারণ।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও