কী দেখেছি, আরও কী দেখব

www.ajkerpatrika.com সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী প্রকাশিত: ১০ জুন ২০২৬, ১০:২২

পঞ্চাশের দশকে রাষ্ট্রের দিক থেকে আওয়াজটা ছিল জাতি গঠনের। পাকিস্তানি নামে কোনো জাতি তো ছিল না, ওই নামে একটি রাষ্ট্র গঠিত হয়েছিল মাত্র। জিন্নাহ সাহেব বুদ্ধিমান মানুষ, তিনি বুঝে ফেলেছিলেন, নতুন রাষ্ট্রকে টিকিয়ে রাখাটা সহজ কাজ হবে না। যে জন্য তিনি জোর দিয়ে বলতেন, পাকিস্তান হ্যাজ কাম টু স্টে। আওয়াজের ওই জোরটাই বলে দিত, ভেতরে অন্তর্বস্তুর ঘাটতি রয়েছে। রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা ঘটেছিল দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে, কিন্তু দেশভাগের পর দ্বিজাতিতত্ত্ব তো আর কার্যকর শক্তি নয়। রাষ্ট্রকে সুগঠিত করার জন্য এবং টিকিয়ে রাখতে নতুন একটি জাতি দরকার। সেই জাতি পাঞ্জাবি, বাঙালি, সিন্ধি, পাঠান বা বেলুচ বলে কুলাবে না, হওয়া চাই পাকিস্তানি। এই যে বিভিন্ন জাতি, যাদের ভাষা ভিন্ন ভিন্ন, তাদেরকে ধর্মের সাহায্যে এক করা যাবে না; কারণ, সকলের ধর্ম এক নয়, অধিকাংশের ধর্মই ইসলাম বটে, তবে ধর্মীয় আচরণের ক্ষেত্রে বিস্তর পার্থক্য, ধর্মাচরণে তিনি নিজেও যে খাঁটি নন, এটা তো তাঁর অজানা ছিল না।


‘পাকিস্তান’ অর্জনের জন্য সম্প্রদায়কে জাতিতে পরিণত করা হয়েছিল, ওই খোঁজে তিনি ছিলেন; কিন্তু পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর ওই সাম্প্রদায়িকতার ওপর যে ভরসা করা যাবে না, সেটি তিনি টের পেয়ে গিয়েছিলেন; তা ছাড়া যাদেরকে তিনি ভারতে ফেলে রেখে নিজের জন্মশহর করাচিতে চলে এসেছেন, ধর্মীয় ঐক্যের ভিত্তিতে তারা যদি নিজেদের পাকিস্তানি বলে দাবি করে, তাহলে তারা যে রাষ্ট্রদ্রোহের দায়ে অভিযুক্ত, সেটাও তো অস্পষ্ট ছিল না। ওদিকে জাতি গঠনে ধর্ম নয়, ভাষাই যে প্রধান উপাদান, সেটাও তাঁর মতো একজন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞের পক্ষে অজানা থাকার কথা নয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও