গ্যাস-সংকট সমাধানে আশু করণীয়

www.ajkerpatrika.com ড. মো. আনোয়ার হোসেন প্রকাশিত: ০১ আগস্ট ২০২৬, ১১:১৫

বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে গরম ভাতের সুবাস, কিন্তু আজ সেই সুবাসে যেন ভাটা পড়েছে আগুনের অভাবে। সম্প্রতি মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে যান্ত্রিক ত্রুটি এবং অগ্নিকাণ্ডের ফলে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হ্রাস পাওয়ায় পুরো বাংলাদেশ এক তীব্র সংকটকাল অতিক্রম করছে।


রান্নাঘরের নিভে যাওয়া উনুন থেকে শুরু করে কলকারখানার নিষ্প্রাণ চাকা—সবখানেই এখন হাহাকার। ৩০ জুলাই পর্যন্ত প্রাপ্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের দৈনিক ৩,৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ মিলছে ২,৫০০ মিলিয়ন ঘনফুটেরও কম। ফলে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ১,৩০০ মিলিয়ন ঘনফুটের এক বিশাল পর্বত। অর্থনৈতিক স্থায়িত্ব রক্ষায় এই জাতীয় সমস্যাটির গভীরতা অনুধাবন করে এর একটি টেকসই এবং সুদূরপ্রসারী সমাধান খোঁজা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।


ঢাকা বিভাগের জনবহুল জেলাগুলোয় বর্তমানে রান্নার গ্যাস যেন অমাবস্যার চাঁদ হয়ে উঠেছে। রাজধানী ঢাকার মিরপুর ও পুরান ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ ও ফতুল্লা এবং গাজীপুর জেলার শ্রীপুর ও কোনাবাড়ী শিল্পাঞ্চলের বাসাবাড়িতে গ্যাসের চাপ নেমে এসেছে মাত্র ২ থেকে ৩ পিএসআইয়ে, যেখানে স্বাভাবিক রান্নার জন্য প্রয়োজন অন্তত ৮ পিএসআই। তীব্র গ্যাস-সংকটে তিতাস গ্যাস বিতরণ অঞ্চলের প্রায় ৮০ শতাংশ গ্রাহক এখন গভীর রাতে জেগে থাকছেন শুধু পরিবারের মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার আশায়। অন্যদিকে সাভার ও ধামরাই উপজেলার তৈরি পোশাক কারখানাগুলোয় গ্যাস-সংকটের কারণে তাদের উৎপাদনক্ষমতা প্রায় ৭০ শতাংশ কমে গেছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও