You have reached your daily news limit

Please log in to continue


ভারতের ‘পুশইন’ চেষ্টা আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন

সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠন করার পর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বাঙালি মুসলিম নাগরিকদের জোরপূর্বক সীমান্ত পার (পুশইন) করে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডও (বিজিবি) সতর্কব্যবস্থা হিসাবে সীমান্ত পাহারা জোরদার করেছে।

এ লেখা যেদিন লেখছি, তার ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে বিজিবি এমন অন্তত ১০টি পুশইন বা অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা ঠেকিয়েছে। এ নিয়ে বর্তমানে সীমান্তের সর্বত্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভারতের এ ‘পুশইন’ বা বলপূর্বক পুশব্যাক আন্তর্জাতিক আইনে অবৈধ ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসাবে গণ্য করা হয়। আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের দৃষ্টিকোণ থেকে ‘পুশইন’ একটি স্পর্শকাতর ও অমানবিক বিষয়। মানবাধিকার সংস্থা এবং জাতিসংঘও এ ধরনের পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক প্রটোকল ও দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার চরম লঙ্ঘন বলে চিহ্নিত করেছে। কেউ যদি অবৈধ উপায়ে সীমান্ত পেরিয়েও আসে, সেই অবৈধ অভিবাসীকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া এবং বন্দুকের মুখে জোর করে অন্য রাষ্ট্রে ফেরত পাঠানো যায় না। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে কোনো ব্যক্তিকে সীমান্ত অতিক্রম করতে কেউ যদি বাধ্য করে, তাহলে আন্তর্জাতিক আইনের যে তিনটি মূলনীতি আছে, সেই মূলনীতিগুলোও লঙ্ঘিত হয়। এ মূলনীতিগুলো হলো, ‘বাধ্যতামূলক প্রত্যাবর্তনের নিষেধাজ্ঞা’, ‘যৌথ বহিষ্কারের নিষেধাজ্ঞা’ এবং ‘আইনি সুরক্ষার অধিকার’। এছাড়া আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন, শরণার্থী আইন এবং আন্তর্জাতিক প্রথাগত আইনও এ ধরনের পদক্ষেপকে অনুমোদন করে না। ভারত আন্তর্জাতিক এসব আইন এবং নীতিমালা তোয়াক্কা না করেই পুশইনের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন